বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ফোরাম মনোনয়ন দিলে আমিও একজন প্রার্থী : সফিকুল আলম ফিরোজ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২১ আগস্ট, ২০২৩, ১:২৩ পিএম
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় ফোরাম মনোনয়ন দিলে আমিও একজন প্রার্থী : সফিকুল আলম ফিরোজ
শাহরাস্তিতে সূচিপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার কেশঁরাঙ্গা ভূমি অফিস মাঠে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আয়োজনে শোক দিবসের আলোচনা সভা দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
দিবসটি উপলক্ষে নেতৃবৃন্দ সকালে শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ চত্বরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।পরে  বিকেলে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন শেষে বিকেলে  এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
ওই  ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এমএ বাসার পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর ৫- হাজিগঞ্জ শাহরাস্তি নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য, বায়রার সিনিয়র সহ-সভাপতি ও কলাবাগান -ধানমন্ডি  ক্লাবের  সাবেক সভাপতি সফিকুল আলম ফিরোজ। তিনি তার বক্তব্য বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে ঢাকা শহরে যে কয়জন নেতা প্রতিবাদ করেছিলেন তার মধ্যে আমি একজন ফিরোজ। আজ রাজনৈতিক ময়দানে বিভিন্ন হুমকি-ধমকি আসছে সবকিছু মুকাবিলা করে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ সৈনিক হিসেবে রাজনীতি করছি। আগামী দিনেও করে যাব।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর ৫ আসনে দলীয় ফোরাম মনোনয়ন দিলে আমিও একজন প্রত্যাশিত প্রার্থী।
ওই ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাসুদ আলম পাটোয়ার সঞ্চালনা এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান মিন্টু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তুষার, জাহাঙ্গীর মোহাম্মদ আদেল, মোস্তফা চৌধুরী, টামটা দক্ষিন ইউনিয়ন  পরিষদের চেয়ারম্যান  জহিরুল আলম মানিক, টামটা উওর ইউপির আলীগের নেতা আলমগীর কবির পলাশ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক উপ-দপ্তর সম্পাদক সাহাদাত হোসেন সাদু, হুমায়ুন কবির হিরু, মীরু, মহসিন পাটোয়ারী, এফ কাদের বাবু, লিটন রায় চৌধুরী, রফিকুল ইসলাম রকি, আলমগীর হায়দার,  জেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ইস্কান্দার মির্জা সুমন, ফারুক আহমেদ, উপ সম্পাদক মাজারুল ইসলাম বাবলা,  উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা সোহরাব হোসেন সৌরভ, পৌরসভা ছাত্রলীগ নেতা আবু সাঈদ, মেহেদী হাসান পলাশ, সাজ্জাদ হোসেন সুজন, পৌরসভা ছাত্রলীগ নেতা সহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের  নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক, বিভিন্ন পেশার নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।