বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মানবিক চিকিৎসক, কোভিড সম্মুখ যোদ্ধা ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: রবিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৮:১০ পিএম
মানবিক চিকিৎসক, কোভিড সম্মুখ যোদ্ধা ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল
করোনাকালে অক্লান্ত পরিশ্রম ও আন্তরিক সেবা দিয়ে চাঁদপুরবাসীর মন জয় করা মানবিক চিকিৎসক ডা. এ এইচ এম সুজাউদ্দৌলা রুবেল আর নেই। শনিবার ২ সেপ্টেম্বর ৩টার দিকে চাঁদপুর শহরের ফেমাস স্পেশালাইজড (প্রা.) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জানান। তার অকাল মৃত্যুতে শোকাহত চাঁদপুরের চিকিৎসকরা।
মরহুমের জানাজার নামাজ শনিবার বাদ মাগরিব চাঁদপুর পৌর ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজার নামাজে ইমামতি করেন কালেক্টর জামে মসজিদের ইমাম আলহাজ্ব মাওলানা মোশারফ হোসেন।
জানাজার পূর্বে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি এএইচএম আহসান উল্লাহর পরিচালনায় ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেলের কর্মময় জীবনের উপর সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ হারুনুর রশিদ, জেলা বিএমএর সাধারণ সম্পাদক ডাঃ মাহমুদুন্নবী মাসুম, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের ফরেন্সিক বিভাগের প্রধান ডাঃ সাইফুল ইসলাম, মরহুমের ছোট ভাই রবিন।
জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সদর হসপিটালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ এ কে এম মাহবুবুর রহমান, সিভিল সার্জন শাহাদাত হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জহিরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মুজিবুর রহমান ভূঁইয়া, ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ আশরাফ আহমেদ চৌধুরী, বিএমএর সভাপতি ডাঃ নুরুল হুদা, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ সালেহ আহমেদ, ডাক্তার সৈয়দ আহমেদ কাজল, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী বেপারী, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী, শরীফ চৌধুরী, শহীদ পাটোয়ারী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোহেল রুশদী, বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান সুমন, চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. শাহজাহান মিয়া, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী হযরত আলী বেপারী।
ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেল বরিশালের সন্তান হলেও সেবা ও আন্তরিকতা দিয়ে তিনি চাঁদপুরবাসী হয়ে উঠেছিলেন। অনেকেই মনে করতেন তিনি চাঁদপুরের সন্তান। ডা. রুবেল দীর্ঘদিন চাঁদপুর সরকারি জেনারেল (সদর) হাসপাতালে আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) ও করোনা বিষয়ক ফোকালপার্সন ছিলেন। গত কয়েক মাস পূর্বে তিনি চাঁদপুর মেডিক্যাল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদান করেন। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এই পদে ছিলেন।
তার স্ত্রী ডা. সাজেদা বেগম পলিন করোনাকালের আরেক মানবিক চিকিৎসক। তিনি বর্তমানে নড়াইল জেলার সিভিল সার্জন।
তাঁর মৃত্যুতে চাঁদপুরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শত শত চিকিৎসক ও সর্বস্তরের মানুষ তাকে দেখতে আসে এবং এক হৃদয় বিদারক পরিবেশের সৃস্টি হয়। এসময় তার দীর্ঘদিনের সহকর্মী সকলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
উল্লেখ্য: ডা. সুজাউদ্দৌলা রুবেলের দ্বিতীয় জানাজা ঢাকায় এবং তৃতীয় জানাযা বরিশাল জেলার কাউনিয়া জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital