বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

রায়ের কপি হাতে পেয়েছেন রিটকারীরা

উচ্চ আদালতে মতলব দক্ষিণের নারায়ণপুর পৌরসভার রায় বহাল

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: সোমবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, ৯:০৫ পিএম
উচ্চ আদালতে মতলব দক্ষিণের নারায়ণপুর পৌরসভার রায় বহাল

সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবং আইনী জটিলতা শেষে মতলব দক্ষিণ উপজেলার নবগঠিত নারায়ণপুর পৌরসভার রায় বহাল রেখেছে উচ্চ আদালত। গতকাল ৪ সেপ্টেম্বর ওই রায়ের একটি কপি হাতে পেয়েছেন নারায়ণপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা শাখাওয়াত হোসেন প্রধানসহ পৌরসভার পক্ষে রিট করা ব্যক্তিরা। এর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রায়ের কপিটি প্রকাশ হলে নারায়ণপুর পৌরসভার একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ সাধারণ জনগণ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। তবে আগামী ৬০ দিনের মধ্যে এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল আবেদন করার সুযোগও রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৎকালিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরের প্রচেষ্টায় বিগত ২০১০ সালে নারায়ণপুর ইউনিয়নকে পৌরসভায় উন্নিত করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। একই বছরের ১৫ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নারায়ণপুর পৌরসভা গেজেট প্রকাশ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। পরে পৌরসভার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে উচ্চ আদালতে রিট আবেদন করেন নারায়ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জহিরুল মোস্তফা তালুকদার। পৌরসভার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর উচ্চ আদালতের রায়ে পৌরসভার কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়। ইউনিয়ন ও পৌরসভা নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষের দায়ের করা মামলা নিষ্পত্তি করে হাইকোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার রাজিক আল দলিলের বেঞ্চে নারায়ণপুর ইউনিয়নের পক্ষে দায়ের করা মামলা খারিজ করে নারায়ণপুর পৌরসভা বহাল রেখে ২০২১ সালের ১০ জানুয়ারি পৌরসভার পক্ষে রায় ঘোষণা করেন।

নারায়ণপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা শাখাওয়াত হোসেন প্রধান বলেন, মামলার বাদী ও আমার প্রচেষ্টায় এই রায়ের কপি হাতে পেয়েছি। এ রায়ের কপি হাতে পাওয়ায় এই পৌরসভার সাধারণ জনগণ দীর্ঘ ২০ বছর পর তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বলে আশা করছি। এই নারায়ণপুরের জনগণ শুধু তাদের ভোটটুকু দিতে চায়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেনু দাস বলেন, নারায়ণপুর পৌরসভার রায়ের বিষয়ে আমরা এখনো কোন অফিসিয়ালি চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।