শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে পারিবারিক পুষ্টি বাগানে লাভবান কৃষক

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: রবিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:১৬ পিএম
মতলব উত্তরে পারিবারিক পুষ্টি বাগানে লাভবান কৃষক

মতলব উত্তরে পতিত জমিতে পারিবারিক পুষ্টি বাগান গড়ে উঠছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের কারিগরি সহযোগিতায় বাগান গড়ে তুলেছেন স্থানীয় দরিদ্র কৃষকরা। ফলে কৃষকদের পরিবারে প্রতিদিনের পুষ্টি চাহিদা যেমন মিটছে ঠিক একইভাবে উদ্ধৃত সবজি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি টাকা আয়েরও সুযোগ পাচ্ছেন তারা। চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর কৃষি দফতর বলছে, পতিত জমিতে পুষ্টি বাগান গড়তে পরিবারগুলোকে বিনামূল্যে চারা-বীজসহ অন্য উপকরণ দেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের পারিবারিক পুষ্টি বাগান প্রকল্পের আওতায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন জেলার কৃষক-কৃষাণীরা। পতিত জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফল ও শাক সবজির চাষ করছেন তারা। সরকারের দেওয়া বিনামূল্যে সবজি চারা-বীজ পেয়ে কৃষকদের পরিবারের সদস্যরা বাড়ির উঠান ও আশপাশের খালি জায়গায় সবজি চাষ করছেন। বাজারে ফল ও সবজি বিক্রি করেও তারা বাড়তি টাকা আয় করছেন। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে উপজেলয় প্রায় ২১.০৪৫ বিঘা পতিত জমিকে কাজে লাগানো সম্ভব হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণের তথ্য অনুযায়ী, মতলব উত্তরে ৪৬৩টি পরিবার সরকারের কারিগরি সহযোগিতায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান গড়ে তুলেছেন। তারা প্রত্যেকেই ১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ পতিত জমিতে পুষ্টি বাগান করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পরিত্যক্ত জমিতে পুষ্টি বাগান গড়ে তোলার জন্য প্রত্যেক পরিবারকে বিনামূল্যে মুলা, লালশাক, পাটশাক, পুঁইশাক, লাউ, পালংশাক, শিম, ডাটা, ধনিয়া ও ঘিমা কলমি শাকসহ নানা প্রজাতির সবজির বীজ- চারা দেওয়া হয়েছে।

Model Hospital

এছাড়াও বাগানের মাটি উর্বর আর ফলনে পোকাদমনে ৫ কেজি ইউরিয়া, জৈব সার ২০ কেজি, ১টি ঝাঁঝর, বীজ সংরক্ষণের পাত্রের পাশাপাশি ঘেরাবেড়ার জন্য একটি নেট এবং এছাড়াও ২০ প্রকার বীজ, ৬টি গাছের চারা দেওয়া হয়।

মতলব উত্তর উপজেলার ব্রাহ্মণচক এলাকার বাসিন্দা মো. এছাক প্রধান তার বাড়ির পাশের পতিত জমিতে পুষ্টি বাগান গড়ে তুলেছেন। তিনি বলেন, কৃষি অফিস থেকে সার, নেট ও ৭ প্রকারের সবজির বীজ দিয়েছে।

ছেংগারচর পৌরসভার ওঠারচর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আতাউর মিয়া জানান, বাড়ির পাশে কিছু জায়গা দীর্ঘদিন ধরে পতিত ছিল। সেই পতিত জায়গায় কৃষি অফিসের সহযোগিতায় সবজির বাগান করেছি।

সুলতানাবাদ ইউনিয়নের টরকী গ্রামের সানজিদা বেগমের বাড়ির পিছনের ডোবা ভরাট করে চলতি বছর জমিতে সবজি চাষ করে ২০ হাজাট টাকা আয় করেছেন। আব্দুল হক জানান রফিক ভাইয়ের বাড়ির পিছনে প্রায় ৩০ শতাংশ জমি পতিত ছিল। তিনি উন্নত জাতের কলা গাছ লাগিয়ে এবং কলা বিক্রি করে ভালো ভাবে সংসার পরিচালনা করছেন।

মতলব উত্তর উপজেলার কৃষি কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী বলেন, পতিত জমিকে চাষাবাদের আওতায় আনতে সরকারি একটি প্রকল্পের মাধ্যমে জেলায় বিভিন্ন জায়গায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান গড়ে তোলা হচ্ছে। ৪৬৩ কৃষক-কৃষাণী পরিবারকে বিনামূল্যে বীজ-সার দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও এই প্রকল্পের মধ্যে আম, পেয়ারা, আমড়া, পেপেসহ বিভিন্ন ফলের চারা দেওয়া হয়েছে। কৃষকরা ফল ও সবজি চাষে সমস্যার মুখোমুখি হলে তাদের পরামর্শ দিয়ে সহযোগীতা করছি আমরা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital