বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে আমনের সবুজ ক্ষেতে স্বপ্ন বুনছেন কৃষক

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:৩৯ পিএম
মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পে আমনের সবুজ ক্ষেতে স্বপ্ন বুনছেন কৃষক

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প ‘মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্প’র আওতায় আবাদি মাঠগুলো সবুজে ভরে উঠেছে। মাঠজুড়ে যতদূর চোখ যায় শুধু আমনের সবুজ ধানক্ষেত। এ অঞ্চলে এবার আমনের ফলন ভালো হওয়ার আশা কৃষকদের। এখন কৃষকেরা আমান ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কার করা সহ কীটনাশক প্রয়োগ করছেন। ধানের বাড়ন্ত দেখে কৃষকেরা মনের আনন্দে ধান খেতে ব্যস্ত সময় পার করছে। বর্তমানে আমন ধানের গাছগুলোতে শীষ বের হচ্ছে। কিছুদন পরই ধানক্ষেতগুলো শীষে ভরে যাবে।

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের আওতার কৃষকরা বলছেন এ বছর আবহাওয়া শেষ মুহূর্তে এসে অনুকূলে রয়েছে। এখন যে পরিমাণ বৃষ্টি হচ্ছে, তাতে কোনো সমস্যা হওয়ার কথা না। রোদও পাওয়া যাচ্ছে। তাই ধানের ফলন ভালো হবে। যদিও ধান ক্ষেতে কীট-পতঙ্গের আক্রমণ কিছুটা বেড়েছে। সার কীটনাশক, শ্রমিকের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে আমন আবাদে খরচের পরিমানও বেড়েছে।

কৃষক মজিবুর রহমান ও সবুজ মিয়া জানান, আমরা কৃষক মানুষ। খাবারের জন্য কিছু ধান জমা রাখতে হয়। ধানের দাম ভালো পেলে কিছু ধান বিক্রি করে সারাবছরের কেনা কাটা, বাচ্চাদের লেখাপড়ার খরচ মেটাতে হয়।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ বলছে, এবার আমন ধান উৎপাদনে ৮ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে অর্জন ৮ হাজার ৪৫ হেক্টর হয়েছে করা হয়েছে। এ বছর অনুকূলে থাকায় রোগ বালাই কম থাকায় আশা করছি আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

Model Hospital

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, এ অঞ্চলে আমন ধানের ক্ষেত সবুজে ভরে গেছে। এবছর আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। আমনের আবাদ ভালো হবে, আশা করছি ধানের দামও ভালো পাবেন কৃষকেরা।

সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, বর্তমানে রোপা আমন ধানের ক্ষেত সবুজে ভরে উঠেছে। কৃষি অফিস থেকে আমরা সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফয়সাল মোহাম্মদ আলী জানান, প্রাকৃতিক বৈরিতার কবলে না পড়লে এবং ঠিকমতো সোনালী ধান ঘরে তুলতে পারলে লাভবান হবে মতলব উত্তরের মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের কৃষকরা। তাইতো নতুন ধানে সোনালী স্বপ্ন বুনছেন উপজেলার কৃষকরা। ইতিমধ্যে উপজেলায় শতভাগ রোপা আমন রোপণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ৮ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে অর্জন ৮ হাজার ৪৫ হেক্টর হয়েছে করা হয়েছে। আশা করছি, এসব ধানে এবারও বাম্পার ফলন হবে। কৃষকের স্বপ্ন পূরণ হবে।

তিনি আরো বলেন, ফলন যাতে ভালো হয়, এই জন্য মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।