বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দেশের প্রথম জীবন্ত মূর্তি চাঁদপুরের আল-আমিন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৩, ৯:০৩ পিএম
দেশের প্রথম জীবন্ত মূর্তি চাঁদপুরের আল-আমিন

মাথা থেকে পা পর্যন্ত সব কিছুই সোনালী রঙে রঙ্গিন। এমন ভাবে দাড়িয়ে আছে, প্রথম দেখায় যে কেউ মনে করবে এটা কোন মূর্তি দাঁড়িয়ে আছে। তবে কিছুখন তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকালে মনে হবে। এটি কোন মূর্তি নয়, আসলে একটি জীবন্ত মানুষ।

সাম্প্রতিক সময়ে চাঁদপুর বড়স্টেশন মূলহেডে এমনই এক বিস্ময়কর পোশাকে অদ্ভুত ভঙ্গিতে একজনকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। যাকে উন্নত বিশ্বে বলা হয়ে থাকে জীবন্ত মূর্তি বা লিভিং স্ট্যাচু। এর আগে বাংলাদেশে কোথাও এই ধরনের জীবন্ত মূর্তি কিংবা লিভিং স্ট্যাচু দেখা যায় না। তবে ইউরোপ আমেরিকা কিংবা উন্নত বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই এ ধরনের জীবন্ত মূর্তি বা লিভিং স্ট্যাচু দেখা যায়।

জানা যায়, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা আল-আমিন (২৬) । পেশায় তিনি একজন ছোট টাইলস ঠিকাদার। গত কয়েক বছর ধরে এই টাইলসের কাজ করে তিনি জীবিকা নির্বাহ করেন। সাম্প্রতিক সময় তিনি শখের বসেই জীবন্ত মূর্তি কিংবা লিভিং স্ট্যাচু হয়ে চাঁদপুর বড় স্টেশনের মানুষকে বিনোদন দিচ্ছেন। আল-আমিনের দাবি, বাংলাদেশের প্রথম জীবন্ত মূর্তি কিংবা লিভিং তিনি নিজেই। এর আগে দেশে কোথাও কোনদিন কেউ এ ধরনের লিভিং স্ট্যাচু হয়ে পারফর্ম করেনি। সেই জন্য তাকে এইভাবে দেখে কৌতূহলী মানুষ ভীড় জমান। কেউ বা আবার তোলেন সেলফি।

এই বিষয়ে আল আমিন বলেন, গত কয়েক মাস ধরে আমি আসলে ভাবতেছি আমি একজন কনটেন্ট ক্রিয়েটর হবো। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিও তৈরি করবো। আমি ব্যতিক্রম কিছু করতে চেয়েছি। সেই জন্য ইন্টারনেট ঘাঁটাঘাটি করে দেখলাম ইউরোপ আমেরিকাতে এরকম জীবন্ত মূর্তি বা লিভিং স্ট্যাচু হয়ে মানুষ রাস্তায় পারফর্ম করে। সেই থেকে আমি অনুপ্রাণিত এই গোল্ডেন ম্যানের ড্রেসটা ধারণ করে। জীবন্ত মূর্তি হয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। চাঁদপুর বড় স্টেশনে। আমি মূলত মানুষকে বিনোদন দিতে এ কাজটি করে থাকি। তবে আমি আমার পাশে একটি বাক্স রাখি । কেউ যদি খুশি হয় আমাকে ৫/১০ টাকা দেয়। আমি সেই টাকা নেই।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।