শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

পার্চিং পদ্ধতিতে ঝুঁঁকছেন মতলব উত্তরের চাষিরা

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৩, ১১:৪৩ পিএম
পার্চিং পদ্ধতিতে ঝুঁঁকছেন মতলব উত্তরের চাষিরা

পোকামাকড় দমনে মতলব উত্তরে প্রাকৃতিক পার্চিং পদ্ধতি কৃষকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে সুফলও পাচ্ছেন অনেক চাষি। ফলে আমন মৌসুমে এই পদ্ধতি অনুসরণ করছেন উপজেলার অনেক আমন চাষি। উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে এমন দৃশ্যই দেখা গেছে।

পার্চিং পদ্ধতি ও এর ব্যবহারের উপকারিতা সম্পর্কে উপজেলা কৃষি বিভাগ জানান, বাঁশের কঞ্চি, গাছের ডাল, টি আকৃতির দ- বা বাঁশের জটা প্রভৃতি খাড়াভাবে জমিতে পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করা হয়, আর তাকেই পার্চিং বলে। বর্তমানে ধানের জমিতে পোকামাকড় দমনে এটি একটি কার্যকরী ও সফল কৃষকবান্ধব পদ্ধতি। পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করলে কৃষককে ধান চাষে অতিরিক্ত খরচ গুণতে হয় না।

কৃষকের বাড়ির আঙ্গিনায় বা রাস্তার ধারে গাছের ডাল প্রাপ্তি সহজলভ্য বিধায় পার্চিং পদ্ধতি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে সারা উপজেলায়। ধান ক্ষেতের পোকা দমনের জন্য কৃষক ব্যাপক হারে কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন। এতে করে কিছু উপকারী পোকাও মারা যায় এবং কীটনাশক মানবদেহের জন্যও অনেক ক্ষতিকর। পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করলে জমিতে কীটনাশক ব্যবহারও কম হয়। এই পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষক সুন্দর এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার উৎপাদন করতে পারে।

উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের উত্তর পাঁচানী এলাকার কৃষক ছানা উল্লাহ বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের কথামতো পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার শুরু করে উপকৃত হচ্ছি। এই পদ্ধতি অনুসরণ করায় জমিতে বিভিন্ন রকম পাখি বসে। ফসলে আক্রমণ করা পোকাদের ওরা খেয়ে ফেলে। এতে ফসলে বিষ প্রয়োগের তেমন প্রয়োজন হচ্ছে না।

Model Hospital

পার্চিং পদ্ধতির সুফল নিয়ে কথা বলেন উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের নাউরী এলাকার কৃষক ফয়েজ আহমেদ। তিনি বলেন, পার্চিং একটি ফলপ্রসূ পদ্ধতি। এটা ব্যবহার করে চাষের ব্যয় কমিয়ে আনা সম্ভব। কীটনাশকের টাকা বেচে যায়। আমি আমার জমিতে পার্চিং পদ্ধতি ব্যবহার করছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফয়সাল মোহাম্মদ আলী জানান, প্রাকৃতিক পার্চিং পদ্ধতিতে ফসলি জমিতে পোঁতা ডালগুলোর ওপর পাখি বসে ফসলি জমির ক্ষতিকারক পোকা ও পোকার ডিম খেয়ে ফেলে। ফলে জমিতে কীটনাশক কম ব্যবহার করতে হয়। যার ফলে কম খরচে অধিক ফলন পাওয়া যায়।

তবে সব ধরনের পাখি পার্চিংয়ে বসে না। মূলত ফিঙ্গে, শালিক, বুলবুলি, শ্যামা, দোয়েল, সাত ভায়রা এসব পাখি পার্চিংয়ে বসে পোকা ধরে খায়। ফসল রোপণের পরপরই পার্চিং স্থাপন করতে হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital