বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

চাঁদপুর-২ আসনে নৌকার হাল ধরতে চান এসি মিজান

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শুক্রবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৩, ৮:৩৪ পিএম
চাঁদপুর-২ আসনে নৌকার হাল ধরতে চান এসি মিজান

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ আসনে নৌকার মাঝি হতে চান মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, মতলব উত্তর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ওরফে এসি মিজান।

ইতোমধ্যে তিনি শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ, পথসভা, উঠোন বৈঠকসহ সকল ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে কর্মীদের নিয়ে তিনি কমিটি গঠন করছেন।

সরকারের উন্নয়ন বার্তা তুলে ধরছেন প্রতিনিয়ত। মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা নিয়ে চাঁদপুর-২ আসনটি গঠিত। এ আসনের অধীনে মোট ১৯টি ইউনিয়ন ও ৩টি পৌরসভা রয়েছে। এর মধ্যে মতলব উত্তরে ১৪ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা আর মতলব দক্ষিণে ৫টি ইউনিয়ন ও ২ টি পৌরসভা রয়েছে। এ আসনে নারী-পুরুষ মিলে মোট ভোটার প্রায় ৫ লাখ। ইতোমধ্যে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে এলাকায় ব্যানার ফেস্টুুন, পোষ্টার এবং গনসংযোগের মাধ্যমে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাট্রির এই সদস্য।

জানা গেছে, এসি মিজান ব্যবসায়ী হিসেবে এলাকায় বেশ পরিচিত। এসি মিজান ১৯৬৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতলব উত্তরের সানকিভাঙ্গা গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৪ থেকে ১৯৮৬ সালে হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজের ছাত্রলীগের ১ম যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। খুলনা মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য ছিলেন তিনি। এছাড়া ২০০১ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত তখন আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে।

Model Hospital

সেই কঠিন মুহুর্তে তিনি সফলতার সাথে মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তখন তিনি বহুবার এলাকায় হামলার শিকার হন এবং একাধিক মামলায় হেনস্থা হন। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালে এলাকার মানুষদের মন জয় করেছিলেন। সে সময় তিনি এলাকায় অভূতপূর্ব কাজ করেছিলেন।

রফিকুল ইসলাম নামে এক ভোটার বলেন, এসি মিজান উপজেলা চেয়ারম্যান থাকাকালে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়। তাই আমরা এবার মিজান ভাইকে নৌকার মাঝি হিসেবে দেখতে চাই। ১০ নং পূর্ব ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক আবদুল হাই খান স্বপন বলেন, এসি মিজান ভাই এলাকায় রাজনীতি করে গণমানুষের জন্য। তিনি দায়িত্ব পেলে এলাকার মানুষের গনহারে উন্নয়ন হবে। আমরা চাই তিনি নৌকার মনোনয়ন পাক।

মনোনয়ন প্রসঙ্গে এসি মিজান বলেন, আমি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক। আমি চাঁদপুর-২ আসনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী। আমি এলাকায় সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে প্রচারনা চালাচ্ছি। আমি মনোনয়ন না পেলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যাকে নৌকার মনোনয়ন দিবেন আমি তার সাথে কাজ করবো এবং ঐক্যবদ্ধভাবে নৌকার বিজয় ছিনিয়ে আনবেন বলে অভিমত ব্যাক্ত করেন ব্যাবসায়ী এ নেতা।

তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে শেখ হাসিনা ও নৌকার বিকল্প নেই। কোন অপশক্তি যেন সুযোগ গ্রহণ না করতে পারে সে জন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, চাঁদপুর-২২ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল। এর আগে একাধিকবার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম।

প্রসঙ্গত,চাঁদপুর-২ আসনটি হল বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি চাঁদপুর জেলায় অবস্থিত জাতীয় সংসদের ২৬১তম আসন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital