শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে নৌকার প্রার্থীসহ ৪ জনের মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ৫ প্রার্থী

মো: রাছেল, কচুয়া প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১২:০১ এম
চাঁদপুর-১ কচুয়া আসনে নৌকার প্রার্থীসহ ৪ জনের মনোনয়ন বৈধ, বাতিল ৫ প্রার্থী

চাঁদপুর-১ কচুয়া ২৬০ আসনে সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৯ জন।

৩০ নভেম্বর ছিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষদিন। ১লা ডিসেম্বর থেকে ৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কার্যক্রম ছিলো।

সোমবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে চাঁদপুর জেলা রিটানিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোঃ কামরুল হাসান মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করে কচুয়া আসনের নৌকার প্রার্থীসহ ৪ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ও ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করে।

জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে জানাযায়, দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্রে উল্লেখিত তথ্যের গরমিল, ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন না থাকাসহ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ত্রুটি থাকার কারনে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।

Model Hospital

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া হেভিওয়েট আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হলেন- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যৌথ মনোনয়ন প্রাপ্ত মো. গোলাম হোসেন, রাহাদ চৌধুরী (স্বতন্ত্র), মোঃ শওকত হোসেন মিয়া (স্বতন্ত্র), মো. জামাল হোসেন (বাংলাদেশ কংগ্রেস), মো. সেলিম প্রধান (ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ)।

মনোনয়নপত্র বৈধ প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ও ড. সেলিম মাহমুদ, ডা. একেএসএম শহীদুল ইসলাম (জাতীয় পার্টি), মাসুউদুল আহসান (জাকের পার্টি), মো. সাইফুল ইসলাম সোহেল (জাসদ) ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মোঃ গোলাম হোসেন বলেন, আমি মনোনয়ন ফিরে পেতে আপিল করবো। যা আমি পূর্বেই আশঙ্কা করেছিলাম এই ধরনের একটি ঘটনা আজকে ঘটবে। স্বাক্ষর প্রক্রিয়ার শুরুতে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ঠ সবাইকে আমি লিখিত ভাবে জানিয়েছি।

উল্লেখ্য, এ আসনে ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলে ও শেষ পর্যন্ত জমা দিয়েছে ৯ জন।

তিনজন ছাড়া বাকিদের চেনেন না ভোটাররা। হঠাৎ করে কেন তারা এমপি হওয়ার আগ্রহী হলেন তার সদুত্তর মেলেনি তাদের কাছ থেকে। উপজেলা রিটানিং কর্মকতা কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের প্রার্থী কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ, বিদ্রোহী প্রার্থী জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মো. গোলাম হোসেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী একেএসএম শহিদুল ইসলাম এর পূর্ব পরিচয় রয়েছে। বাকি প্রার্থীদের কেউ চেনেন না।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital