বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

মতলব উত্তরে চার কোটি টাকা ব্যয়ে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৮:১৩ পিএম
মতলব উত্তরে চার কোটি টাকা ব্যয়ে দৃষ্টিনন্দন মসজিদ

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে দর্শনার্থীদের কাছে টানছে আনোয়ারপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ। ৩৫ শতাংশ জমির উপর মসজিদটি নির্মাণ করতে ব্যায় হয়েছে ৪ কোটি টাকা। মসজিদটি দৈর্ঘ্যে রয়েছে ১৪৫ ফুট এবং প্রস্থে ৮৫ ফুট। ছোট বড় মিলিয়ে ৬টি মিনার এবং ৩টি গম্বুজ রয়েছে। এই মসজিদটিতে একসঙ্গে নামাজ পড়তে পারবেন ২হাজারের বেশি মুসল্লি।

আনোয়ারপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদটির অসাধারণ নির্মাণ শৈলী, এর রং ও লাইটিং দূর থেকেই কাছে টানছে লোকজনকে। নির্মাণের পর থেকেই প্রতিদিন মসজিদটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন হাজারো দর্শনার্থীরা।

অসাধারণ লাইটিং ও মসজিদের মোহনীয় সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। মসজিদ দেখা শেষে মুগ্ধতার আবেশ নিয়ে বাড়ি ফিরছেন ধর্মপ্রাণ মুসলিম ও দর্শনার্থীরা। দিনের আলো, সন্ধ্যার ঠিক আগ মুহুর্ত ও রাতের অন্ধকার, তিন সময়ে ভিন্নরকম সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে দৃষ্টিনন্দন এই মসজিদ। তবে সন্ধ্যার পর মসজিদের লাইট জ্বালানো হলে ফুটে ওঠে এর দূতি ছড়ানো সৌন্দর্য। মসজিদটির ভিতর সেন্সর লাগানো কারনে দরজা খুলে প্রবেশ মসজিদে প্রবেশ করলেই অটো জলে ওঠে লাইট এবং এসির শীতল হাওয়া বইতে শুরু করে।

গত ২ ডিসেম্বর ২০১৬ সালে মসজিদের নির্মান কাজ শুরু করে এলাকা বাসি, দীর্ঘ ৭ বছর পড়ে ২০২৩ সালের ১৯ মে শুক্রবার নির্মিত দৃষ্টিনন্দন মসজিদ টির ফলক উন্মোচন এবং ফিতা কেটে মসজিদ শুভ উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল।

Model Hospital

ছেংগারচর পৌর এলাকা থেকে মসজিদটি দেখতে আসা সাব্বির লস্কর বলেন, এরকম সুন্দর মসজিদ আমি কখনও দেখিনি। আমার মনে হয় পুরো চাঁদপুর জেলায় এরকম সুন্দর দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নেই। এখানে নামাজ পড়ে মনে অনেক প্রশান্তি পাই। এখান থেকে ঘরে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে না।

চাঁদপুর থেকে থেকে আসা আবদুল্লাহ নামের এক দর্শনার্থী বলেন, ‘ঢাকা থেকে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ মসজিদটি দেখে চোখ আটকে যায়। মোটরসাইকেল এক মূহুর্তের জন্য দেখেছিলাম। এখন সময় নিয়ে দেখতে এসেছি।

এই মসজিদের মুসল্লী মো. মেহেদি হাসান রনি বলেন, আমাদের পুরনো যে মসজিদটি ছিল ওইখানে জায়গা কম থাকার কারণে মুসল্লিরা স্বাচ্ছন্দে নামাজ আদায় করতে পারেনি। এখন এই মসজিদটি নির্মিত হওয়ায় আমরা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ ভাবে নামাজ আদায় করতে পারছি এবং দূর-দূরান্ত থেকেও মুসল্লিরা এখানে এসে নামাজ পড়ছে।

আনোয়ারপুর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজ সেবক মাসুদ আলম কাজল বলেন, আল্লাহর ইচ্ছে ও গ্রামবাসীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় আল্লাহর ঘর মসজিদ নানন্দিক এবং দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণ করতে পেরেছি। আমাদের গ্রামের পুরতান মসজিদটি ১৯৪৩ সালে নির্মিত। পুরাতন মসজিদটিতে মুসল্লীদের জায়গা না হওয়ায় আমার এবং গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন ছিলো বড় পরিসরে একটি মসজিদ নির্মাণ করা। সেই স্বপ্ন বুকে ধারণ করে গ্রামবাসীদের সহযোগিতায় ২০১৬ সালে মসজিদের নির্মাণ কাজ শুরু করি। করোণাকালীন সময়ে কাজের কিছুটা বিঘ্ন ঘটলেও অবশেষে দীর্ঘ অপেক্ষার পর আমাদের স্বপ্নের প্রতিফলন মসজিদটি আজকে উদ্বোধন করতে পেরেছি। এ জন্য আল্লাহর কাছে কোটি কোটি শুকরিয়া আদায় করছি। তিনি আরো বলেন, শুধু মসজিদ নির্মাণ করলেই হবে না আমাদের মসজিদের নান্দনিকতা বজায় রাখতে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। মসজিদে নিয়মিত মুসল্লী সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। গ্রামের সকলকে মসজিদ মুখী হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি ব্যবসায়িক কাজে যখন তুর্কি এবং দুবাইতে যাই সেখানে গিয়ে এরকম দৃষ্টিনন্দন মসজিদ দেখতে পাই। পরে দেশে এসে তুর্কি স্টাইলে এবং মার্বেল পাথর দ্বারা মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital