শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই খুন : ঘাতক আটক 

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১০:১১ পিএম
মতলব উত্তরে ছোট ভাইয়ের লাঠির আঘাতে বড় ভাই খুন : ঘাতক আটক 
চাঁদপুরের মতলব উত্তরে লুধুয়া গ্রামে ছোট ভাই শুকুর প্রধানের লাঠির আঘাতে বড় ভাই আলমগীর হোসেন প্রধান (৪৮) নিহত হয়েছেন।
শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে মতলব উত্তর উপজেলার ফতেপুর পূর্ব ইউনিয়নের লুধুয়া গ্রামে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আলমগীর হোসেন প্রধান উপজেলার ফতেপুর পুর্ব ইউনিয়নের লুধুয়া গ্রামের নূর হোসেন প্রধানের বড় ছেলে।
নিহতের পরিবার জানায়, সকালে ছোট ভাই শুকুর গাছ কাটছিলো।
এসময় বড় ভাই আলমগীর গাছ কাটায় বাঁধা দিলে এক পর্যায়ে ছোট ভাই তাকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পরে পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের মেয়ে খালেদা বেগম বলেন, আমার বাবা ঢাকায় একটি মসজিদে ইমামতি করতেন। এলাকায় ওয়াজে অংশগ্রহণ করার জন্য গতকাল বৃহস্পতিবার বাড়িতে এসেছিলেন। শুক্রবার সকালে আমার চাচা বাড়িতে গাছ কাটছিলেন। তখন বাবা গাছ কাটায় বাধা দিলে একপর্যায়ে চাচা লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে আমার বাবা মাটিতে পড়ে যান।
মতলব দক্ষিণ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. কৌশিক হাওলাদার জানান, সকাল পৌনে ১১টার দিকে ভিকটিমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে। তার মাথায় আঘাতে লাগায় নাক দিয়ে রক্ত বের হয়েছিল। মস্তিষ্কের রক্ত ক্ষরণের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, নিহত আলমগীর হোসেন প্রধানরা ছয় ভাই। সম্পত্তি নিয়ে ভাইদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছানোয়ার হোসেন জানান, খুনী শুকুর প্রধানকে পুলিশ আটক করেছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে।

হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৭ পিএম
হাজীগঞ্জে ১১ মাসের রামিছার চোখে টিউমার, সাহায্যের আবেদন

হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধর্ব্যপুর দক্ষিণ ইউনিয়নের দক্ষিণ পাচৈই গ্রামের দিনমজুর মীর হোসেন গাজীর অসহায় পরিবারের ১১ মাসের কোলের সন্তান রামিছা আক্তারের বাম চোখে ধরা পড়েছে টিউমার। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী দ্রুত উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন, যার জন্য বিপুল অর্থের দরকার। হতদরিদ্র এই পরিবার শিশুটির চিকিৎসার খরচ চালাতে হিমসিম খাচ্ছে।

​আপনাদের একটু সহানুভূতি ও সহায়তায় পারে শিশুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে। কোনো সহৃদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান যদি শিশুটির পাশে এগিয়ে আসেন, তবে হয়তো সে নতুন জীবন ফিরে পাবে। আসুন, আমরা মানবতার ডাকে সাড়া দিই।

​সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: আপনার অনুদান পরিবারের সরাসরি নিচে দেওয়া বিকাশ নাম্বারে পাঠাতে পারেন:
​বিকাশ নাম্বার (পার্সোনাল): 01836790097