বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায়

চুরি হওয়া মোটর সাইকেল ফিরে পেয়ে আতঙ্কে ব্যবসায়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪, ১১:০১ পিএম
চুরি হওয়া মোটর সাইকেল ফিরে পেয়ে আতঙ্কে ব্যবসায়ী

কচুয়া পৌরসভার ব্যবসায়ী মনির হোসেনের চুরি হওয়া মোটর সাইকেল উদ্বারের পর থেকে মনির হোসেন ও তার পরিবারকে মারধর ও হুমকি ধমকি প্রদান করে অভিযোগ পাওয়া গেছে ।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মনির হোসেন ২২ ফেব্রুয়ারী চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।মামলা নং সিআর ১০৩/২৪ তারিখ ২২.২.২০২৪। মামলায় তিনি উল্লেখ করেন ১৯ জানুয়ারী রোজ শুক্রবার কচুয়া পৌরসভার মাছিমপুর এলাকার তার ভাড়াটিয়া বাসা থেকে একটি মোটর সাইকেল চুরি হয়।ওই দিন তিনি কচুয়া থানায় একটি সাধারন ডায়েরী দায়ের করেন।

পরদিন শনিবার রাতে থানা পুলিশ মোটর সাইকেলটি পাশ্ববর্তী নবাবপুর এলাকা থেকে উদ্বার করে। এ ঘটনায় মোটর সাইকেলসহ মাছিমপুর গ্রামের আঃ রাজ্জাকের ছেলে মিরাজসহ তিনজনকে থানায় আটক করা হয়। স্থানীয় শালিশদের মধ্যস্থতায় রাতে মুছলেকা নিয়ে মিরাজসহ আটককৃতদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

পরদিন ২০ জানুয়ারী শনিবার ক্ষিপ্ত হয়ে মিরাজ ও মাসুদ দলবল নিয়ে মনির হোসেনের বাসায় প্রবেশ করে ঘরের কাঠের কেবিনেট ভাংচুর করে ,মনির হোসেনকে মারধর করে। কেবিনেটে থাকা নগদ৪০ হাজার টাকা ও স্বর্নের চেইন নিয়ে যায়।

Model Hospital

৯ ফেব্রুয়ারী মিরাজের বাবা আঃ রাজ্জাক ও তার ভাই মাসুদ মনিরের মাছিমপুরে অবস্থিত ফার্নিচারের দোকানে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে ক্যাশ থেকে নগদ ৩৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

মারধরের পর মনির হোসেন কচুয়া থানাকে বিষয়টি অবিহিত করলে কোন সমাধান না পেয়ে ২৪ ফেব্রুয়ারী চাঁদপুরের বিজ্ঞ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সাক্ষীগনের স্বাক্ষ্য গ্রহন করে কচুয়া থানাকে তদন্তপূর্বক ৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ প্রদান করেন।

মনির হোসেন জানান আমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী । আমার মোটর সাইকেলটি উদ্বারের পর থেকে মাছিমপুর এলাকার আঃ রাজ্জাক ও তার ছেলেরা আমাকে কয়েক দফা মারধর করেছে।

আমি তাদের ভয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে আতংকে আছি। তাই প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করছি।

এ বিষয়ে কচুয়া থানার ওসি মোঃ মিজানুর রহমান জানান স্বাক্ষীগনের স্বাক্ষ্য গ্রহন ও তদন্ত করে বিজ্ঞ আদালতে প্রতিবেদন পেশ করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।