বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ

মোশাররফ হোসেন নয়ন, হাইমচর প্রকাশিত: সোমবার, ৬ মে, ২০২৪, ৯:২২ পিএম
চাঁদপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৪ এ চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ  শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে হাইমচরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
প্রতিষ্ঠানটির বিগত কয়েক বছরের ফলাফল, অবকাঠামোগত পরিবেশ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অর্জন সংক্রান্ত  বিভিন্ন তথ্যাদি এবং এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে প্রতিষ্ঠানটির অবদান বিশ্লেষণ করে এই ঘোষণা দেন চাঁদপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রাণকৃষ্ণ দেবনাথ।
তিনি বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজকে চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ফলাফল সন্তোষজনক অবকাঠামোগত পরিবেশ খুবই ভালো, পাশাপাশি আমরা ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অর্জন সংক্রান্ত  বিভিন্ন তথ্যাদি বিশ্লেষণ করেছি। প্রতিষ্ঠানটি এই অঞ্চলের শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। আমি বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীসহ সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।
প্রতিষ্ঠানের সভাপতি নুর হোসেন পাটওয়ারী বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম সারাদেশে   ছড়িয়ে পড়েছে। আজ প্রতিষ্ঠানটি চাঁদপুর জেলার শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির এই সাফল্যে গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে আমি গর্বিত। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সকলের অক্লান্ত পরিশ্রমে এই সাফল্য অর্জিত হয়েছে। তাই সকলের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।
তিনি আরও বলেন, প্রতিষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের প্রাক্কালে বিদ্যালয়টি আজকের এই অবস্থানে ছিলো না। আমি দায়িত্ব গ্রহণ করে সবসময় চেষ্টা করেছি অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিরসন করে পড়াশোনার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করা। এছাড়া ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে পর্যাপ্ত সুযোগ সৃষ্টি করে সুপ্ত প্রতিভার মুক্ত বিকাশ ঘটানোই ছিলো আমার লক্ষ্য। আজকের এই ঘোষণার মাধ্যমে এই লক্ষ্য পূরনে আমরা যে সফল হয়েছি সেটাই প্রমাণিত হয়। ইনশাআল্লাহ এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে প্রতিষ্ঠানটি খুব কম সময়ের মধ্যে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এটাই প্রত্যাশা করি।
প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ অতীতের যেকোন সময়ের চেয়ে বর্তমানে পড়াশোনা, সংস্কৃতি চর্চা, খেলাধুলায় এই এলাকার  শিক্ষার্থীদের বিকাশে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে। আর এটা সম্ভব হয়েছে প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি,  শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সকলের একান্ত প্রচেষ্টার ফলে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীর সার্বিক দিকনির্দেশনায় বিদ্যালয়ের পড়াশোনার পরিবেশের উন্নতি হয়েছে। তাই আমি সভাপতি মহোদয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জানাই।
প্রতিষ্ঠানের সহকারি প্রধান শিক্ষক জনাব শাহনেওয়াজ বলেন, দূর্গাপুর হাই স্কুল এন্ড কলেজ চাঁদপুর জেলায় শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ঘোষণা হওয়ায় গর্ববোধ করছি। আমি এই প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করেছি, আজ সহকারি প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। বিদ্যালয়ের এই সাফল্যে আমি সত্যিই আনন্দিত। আমরা চেষ্টা করছি প্রতিনিয়ত শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে। আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আশা করি প্রতিষ্ঠানটি এই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের মেধা, মননের বিকাশ ঘটিয়ে  সুনাগরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমি এই সাফল্যে গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব নুর হোসেন পাটওয়ারীসহ অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, শিক্ষক- কর্মচারী শিক্ষার্থী, অভিভাবক সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।