সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

হরিপুর সরকারি প্রাথমিক

কচুয়ায় বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত কাজের অনিয়মের অভিযোগ

ইসমাইল হোসেন বিপ্লব, কচুয়া প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪, ৪:০৫ এম
কচুয়ায় বিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত কাজের অনিয়মের অভিযোগ

কচুয়া উপজেলার বিতারা ইউনিয়নের হরিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে চলতি অর্থ বছরের বরাদ্দকৃত ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়রা জানান,বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা চলতি ২০২৩/২৪ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন সমস্যা দেখিয়ে ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের ২ লক্ষ টাকা ও স্লিপের ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পান। বিদ্যালয়ের ভবন মেরামত না করেই খসে পড়া প্লাস্টারের উপরে নামেমাত্র রং করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের বারিন্দা সংস্করণ কাজ দেখালোও দেখা যায়নি তেমন সংস্করণ কাজের নমুনা।

নিয়ম বহির্ভূতভাবে বরাদ্দের টাকা থেকে একটি সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নামেমাত্র রঙ ও মেরামতের কাজ করাচ্ছে বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষিকা।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাওয়া বেগম জানান,বিদ্যালয়ের মেরামতের কাজের জন্য দুই লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছি। বরাদ্দের কাজের সংশ্লিষ্ট তদারকিথাকা উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারের এস্টিমেট ও ডিজাইন অনুযায়ী আমি কাজ করেছি। অনিয়ম ও দুর্নীতি বিষয়টি আমি দেখিনি।

Model Hospital

বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ মামুনুর রশিদ জানান, বিদ্যালয় ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ পেয়েছে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা হাওয়া বেগম তার মনমতো মেরামতের কাজ করছেন।

উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী মোঃ কামাল হোসেন বলেন, বিদ্যালয়ের মেরামতের কাজে আমি তদারকি রয়েছি। প্রধান শিক্ষিকাকে কাজের এস্টিমেট দিয়েছি। দুর্যোগ আবহাওয়ার কারণে সরজমিনে গিয়ে বিদ্যালয়ের মেরামত কাজ দেখতে পারেনি।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার সুভাষ চন্দ্র বলেন, বিদ্যালয় মেরামতের কাজের অনিয়মের বিষয়টি আপনাদের মাধ্যমে শুনেছি। সরজমিনে গিয়ে তদন্ত করে কাজের অনিয়ম হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পারভীন সুলতানা বলেন, ক্ষুদ্র মেরামতের কাজের বিষয়টি সহকারী শিক্ষা অফিসার তদারকি করে থাকেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।