শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে ব্যবসায়ীর বাড়ীতে ডাকাতি, ২৫ লাখ টাকার মালামাল লুট

মনিরুল ইসলাম মনির প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১ আগস্ট, ২০২৪, ৯:০৬ পিএম
মতলব উত্তরে ব্যবসায়ীর বাড়ীতে ডাকাতি, ২৫ লাখ টাকার মালামাল লুট
মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ডে দেশীয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ব্যবসায়ীর বাড়ীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘঠিত হয়েছে।
বুধবার গভীর রাতে পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের পশ্চিম জোড়খালী গ্রামের মোঃ মালেক বেপারীর বাড়ীতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ডাকাত দল দেশিয় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সর্বত্র নিয়ে যায়।
ডাকাতরা নগদ টাকা স্বর্ণ অলংকার সহ প্রায় ২৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বলে নিশ্চিত করেন মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন রনি।
মো. মালেক বেপারীর স্ত্রী সালেহা বেগম জানান, আমার ছেলে মো. করিম ছেংগারচর বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী বাজারে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে।
আমাদের পাশের বাড়ীর সোলায়মান নামে একটা ছেলে কয়েকদিন আগে আমাদের বাড়ী থেকে আধা কিলোমিটার দুর্রত্ব হবে একটা বাগানে গলায় দড়ি বেঁধে আত্মহত্যা করে।
সেই আত্মহত্যার মামলায় নাকি আমার স্বামী ও বড় ছেলেকে আসামী করা হয়েছে। সে কারনে তারা বাড়ীতে থাকতে পারে না।
এই সুযোগে যারা আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে তারা বুধবার বিকেলে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে আমাদের বাড়ীর সামনে মিছিল দিয়েছে।
আমি ও আমার ছেলের বউ বাড়ীতে থাকি আমরা খুব ভয়ে ছিলাম।
আমাদের বিল্ডিং এর সামেন ২য় তলায় কাঁচের গ্লাস লাগানো সেখানে কোন লোহার জানালা ছিলো না, এ দিক দিয়েই ডাকাতরা ডুকে আমাদের কে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জিম্মি করে ১১ ভরি স্বর্ন ছিলো ডয়ারে, আমার গলার চেইন ও কানের দুল, আমার ছেলের বউয়ের কানের দুল ও গলার চেইন নিয়ে যায়। আমরা চিৎকার করলে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়।
বুধবার রাতে কি হয়েছিলো এ বিষয়ে ছেংগারচর বাজারের ব্যবসায়ী মো. করিমের স্ত্রী নিপার কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, গভীর রাতে কেমন জানি একটা আওয়াজ হলো আমার ঘুম ভেঙে যায় আমি রুমেই ছিলাম হঠাৎ একদল ডাকাত হাতে চাপাতি,ছুরি, দাঁ, লোহার রড নিয়ে আমার রুমে প্রবেশ করে আমি কিছু বুজে ওঠার আগেই আমার গলায় ছুরি ধরে ও চাঁবি কোথায় টাকা-পয়সা কোথায় জানতে চায়, ডাক-চিৎকার দিলে মেরে ফেলবে। আমি ভয়ে চাঁবি দিয়ে দেই।
ডাকাতরা আমার ও আমার শাশুড়ির গলার চেইন ও কানের জিনিস নিয়ে যায়।
আমার স্বামী প্রতিদিন বাজার থেকে এসে ২টা প্লাস্টিকের ব্যাংকে ২হাজার করে রাখতো তাও নিয়ে যায়।
রুমে থাকা নগদ টাকা, স্বর্নের বিভিন্ন রকমের অলংকার ও ৪২” স্মার্ট টিভি নিয়ে যায়। ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার সময় একটা লোহার দা, ও তাদের একজোড়া জুতা রেখে গেছে।
 মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন রনি জানান, ডাকাতির ঘটনায় মতলব সার্কেল অফিসার খায়রুল কবির ও আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital