বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়া পুলিশ হত্যা মামলায় ১২শ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলো পুলিশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪, ১১:১৬ পিএম
কচুয়া পুলিশ হত্যা মামলায় ১২শ জনের বিরুদ্ধে মামলা করলো পুলিশ

চাঁদপুরের কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুনুর রশিদ সরকার মামুন (৫১) কে হত্যা,থানার গাড়ি ভাংচুর,অস্ত্র-গুলি ও মুঠোফোন লুট হওয়ার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ১২শ’ জনকে আসামী করে মামলা করেছে পুলিশ। ২৫ আগস্ট রবিবার বিকেলে কচুয়া থানার এসআই মো. দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান ওই মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ওই দিন বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বিক্ষুব্ধ জনতা কচুয়া থানায় হামলা চালান। এ সময় থানার এসআই মামুনুর রশিদকে ৩০ থেকে ৪০ জন লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কচুয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশের সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বারের আবদুল্লাহপুরে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করা হয়।

মামলা সূত্রে জানা যায়,মামুনুর রশিদকে হত্যার পাশাপাশি একদল জনতা লাঠিসোঁটা ও দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে থানায় আক্রমণ করে। এসময় থানার গাড়ি ভাংচুর, অস্ত্র-গুলি ও মুঠোফোন লুট করা হয়। মামুনুর রশিদের স্ত্রী হাসিনা মমতাজ বলেন, আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১০:৪০ পিএম
ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে প্রবাসীর বসতঘর পুড়ে ছাই

ফরিদগঞ্জে রহস্যজনক আগুনে পুড়ে যাওয়া বসতঘরের ভগ্নাবশেষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা।

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে এক রহস্যজনক অগ্নিকাণ্ডে একটি নিরীহ পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। গভীর রাতে ঘটা এই আকস্মিক অগ্নিকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ বা সূত্রপাত কোথায় থেকে হয়েছে, তা কেউ বলতে না পারায় পুরো এলাকায় গভীর রহস্য ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৭শে অক্টোবর) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার গুপ্টি পূর্ব ইউনিয়নের পশ্চিম শ্রীকালিয়া গ্রামের জবর আলি বেপারী বাড়ির প্রবাসী মো. মাসুদ আলমের বাড়িতে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান পাটোয়ারী ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাতের খাবার খেয়ে সবাই নিজ নিজ ঘরে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন। এর মাত্র কিছুক্ষণ পর, আনুমানিক রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে বসতঘরে আগুনের লেলিহান শিখা দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁদের আর্তচিৎকারে আশপাশের প্রতিবেশীরা দ্রুত ছুটে আসেন এবং দীর্ঘ সময় চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই মুহূর্তের মধ্যে ঘরের ভেতর থাকা আসবাবপত্র, নগদ অর্থ, পরিধেয় বস্ত্রসহ সমস্ত মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘরে অগ্নিকাণ্ড ঘটার মতো রান্নার চুল্লি, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কেট বা অন্য কোনো দাহ্য পদার্থের কোনো সংযোগ বা উপস্থিতি ছিল না। ফলে এত বড় অগ্নিকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন ও ধূম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। কেউ কেউ এটি পরিকল্পিত নাশকতা হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এরশাদ উল্যাহ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।