বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মতলব উত্তরে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:৫৫ পিএম
মতলব উত্তরে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে গ্রামবাসীর সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নে উত্তর নাউরী গ্রামের আম্বিয়া আক্তার পায়েল কর্তৃক একই গ্রামের ২০ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা বানোয়াট ও হয়রাানিমূলক মামলার প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছেন গ্রামবাসী।

রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার উত্তর নাউরী গ্রামে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ওই গ্রামের শতশত নারী-পুরুষ অংশ নেন। মানববন্ধনের আগে একই স্থানে এক সংবাদ সম্মেলন করে গ্রামবাসী।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, আক্তার হোসেন, তাইজুদ্দিন আহাম্মেদ সিপন, পান্না আক্তার কল্পনা, নাঈম, পার্থ, বিল্লাল সরকার, জাহাঙ্গীর, আলফাজ উদ্দিন সরকার, বোরহান সরকার, ফেরদৌসী, সিলা আক্তার, পারুল বেগম, রুপালী, মুকুল, আরিফুল ইসলাম, মরিয়ম আক্তার, গনি মিয়াজি প্রমুখ।

Model Hospital

তারা জানায়, গত ১২ সেপ্টেম্বর চাঁদপুর জেলা বিজ্ঞ আদালতে উত্তর নাউরী গ্রামের লিটন সরকারের স্ত্রী আম্বিয়া আক্তার পায়েল বাদী হয়ে আতিকুর রহমান অপু, মিজানুর রহমান, মাসুদুর রহমান টিপু’সহ ২০ জনকে আসামি এবং অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করে।

মামলাটি তদন্তের জন্য চাঁদপুর পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কে দেওয়া হয়েছে। যে মামলাটি হয়েছে এটি একটি মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। মামলায় উল্লেখ্য করা হয়েছে আমরা তার বাড়িতে হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট করেছি। কিন্তু এই ঘটনার সাথে আমাদের কেহই সম্পৃক্ত ছিল না।

ঐ দিন রাতে কে বা কাহারা তাদের বাড়ির বিল্ডিং এর জানালা ভাংচুর করেছে, আমরা কিছুই জানিনা। শুধুমাত্র হয়রানি করার জন্য এই মামলাটি করা হয়েছে। তাই আমরা তদন্তকারী কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি তারা যেন এই মালাটি সঠিক তদন্ত করে। আর যাতে কারো বিরুদ্ধে এরকম হয়রানি ও মিথ্যা মুলক মামলা না করে সেদিকে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আমরা এ মিথ্যা মামলার দ্রুত প্রত্যাহার চাই।

তারা আরো জানায়, এই মহিলা একজন দুশ্চরিত্রা নারী। আগে পড়ে সে বাড়িতে অনেক অনৈতিক কাজকর্মে লিপ্ত ছিল। কিছু বললেই পুলিশ দিয়ে হয়রানি করত আমাদের এলাকার লোকদেরকে। তার ভয়ে এলাকার লোকজন কথা বলতে পারেনি। এর আগে আরও একাধিক ব্যক্তির নামে পায়েল মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে অনেককে হয়রানি করেছে।

এ বিষয়ে আম্বিয়া আক্তার পায়েলের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তাকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।