রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

উপজেলা প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিদর্শন

শাহরাস্তিতে শারদীয় দুর্গোৎসবে ১৯ টি পূজামন্ডপ প্রস্তুত

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৫০ পিএম
শাহরাস্তিতে শারদীয় দুর্গোৎসবে ১৯ টি পূজামন্ডপ প্রস্তুত

শারদীয় দুর্গোৎসবে (১৪৩১) উপলক্ষে শাহরাস্তিতে ১৯ টি পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ।

মঙ্গলবার উপজেলার বিভিন্ন পূজামন্ড ঘুরে দেখেন শাহরাস্তি উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রেজওয়ানা চৌধুরী।

ওই সময় পুলিশ প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বাহিনীর সদস্যরা সঙ্গে ছিলেন তার।

আগামী বুধবার মহাষষ্ঠী পূজার মধ্যদিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ শারদীয় দূর্গা উৎসব  শুরু হচ্ছে।

Model Hospital

ইতোমধ্যে প্রত্যেকটি পূজা মন্ডপের প্রতীমা তৈরি ও রং তুলির কাজ ও শ্বাসসজ্জা সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের তরফ থেকেও নেয়া হয়েছে নিশ্চিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

এছাড়া শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করা হচ্ছে।

১৩ অক্টোবর বিসর্জনের মধ্যদিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী এই উৎসবের শেষ হবে। এই উপলক্ষে সে পর্যন্ত প্রতিটি পূজা মণ্ডপে থাকবে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

শাহরাস্তি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্র জানায়, এবার ১৯টি পূজা মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

এর মধ্যে পৌরসভায় ০৯টি উপজেলার দশটি ইউনিয়নের ১০ টি মন্ডপ স্থাপন করা হয়েছে। টামটা দক্ষিণ ইউপি ০১, রায়শ্রী দক্ষিণ ইউপির ৫ টিপূজা মন্ডপ হচ্ছে নাহারা ভৌমিকবাড়ি , নাহারা দাসবাড়ী , জগবন্ধু সাধুর বাড়ি, পাল বাড়ি পূজা প্রসন্নপুর।

চিতোষী পূর্ব ইউপির পূজা মণ্ডপ হচ্ছে খিতারপাড়। সুচিপাড়া উত্তর ইউপির তিনটি পূজা মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

পৌরসভার ০৯টি পূজা মন্ডপ হচ্ছে যথাক্রমে মেহের কালীবাড়ি, পালপাড়া, নিজ মেহের দক্ষিণপাড়া, ছিকুটিয়া, ঘোষপাড়া, পুরোহিত বাড়ি, সাহাপুর চৌধুরী বাড়ি, নাওড়া ঠাকুরবাড়ি, ছিখটিয়া কবিরাজ বাড়ি পূজা মণ্ডপ।

টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নে ০১টি পূজা মণ্ডপ, কুলসী ঠাকুর বাড়ি, সূচিপাড়া উত্তর ইউনিয়নে তিনটি স্থানে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

এই তিনটি মণ্ডপ হচ্ছে যথাক্রমে নুনিয়া দত্তবাড়ি পূজা মণ্ডপ, অধিকারী বাড়ি পূজা মণ্ডপ এবং মজুমদার বাড়ি পূজা মণ্ডপ।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।