বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

চাঁদপুরে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৪ উপলক্ষে নৌ-র‍্যালি ও সচেতনতা সভা

আমরা জেলে নয়, জেলেদের গডফাদার ধরবো : জেলা প্রশাসক মোহসীন উদ্দিন

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ৭:৩৬ পিএম
আমরা জেলে নয়, জেলেদের গডফাদার ধরবো : জেলা প্রশাসক মোহসীন উদ্দিন

চাঁদপুরে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৪ উপলক্ষে জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ডের অংশগ্রহণে নৌ-র‍্যালি বের করা হয়।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন বলেছেন ইলিশ সম্পদ রক্ষা হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয় জেলেরা।অভিযানের সময় কোন বরফকল খোলা থাকবে না। মাছকে সমুদ্র থেকে কেউ টেনে আনতে পারবেন না। মাছ তার গতিতে আসে। তাই মাছের গতি পথে যেন বাঁধা না হয়, পানি দূষণ মুক্তসহ সে সকল কাজ করা হবে। আমরা জেলে নয়, জেলেদের গডফাদার ধরবো। চাঁদপুরে ৪৩ হাজার জেলে রয়েছে। এর মধ্যে প্রকৃত জেলে নেই। আমরা চাই না কারো উপরে আইন প্রয়োগ করতে, ২২ দিন চাঁদপুরে কোন জেলে নদীতে নামবেন না।

শনিবার (১২ অক্টোবর) ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৪ উপলক্ষে বড়স্টেশন (মোলহেডে) জেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর চাঁদপুরের আয়োজনে নৌ-র‍্যালি ও সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলবেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, নদীতে শুধু নৌ পুলিশ কাজ করে না আরও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে। ইলিশ মূলত সামুদ্রিক মাছ। তবে পেটে ডিম নিয়ে মিঠা পানিতে আসার কারণে আমাদের দায়িত্ব এর রক্ষণাবেক্ষণ। ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। একে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সকলের।

নির্দিষ্ট সময়ে ইলিশের বংশ বিস্তারের জন্য ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মা ইলিশ শিকার করলে পরবর্তী সময়ে ইলিশের সংকট দেখা দিবে। তাই অভিযান চলাকালীন সময়ে জেলেদের নৌকাসহ ঘাটে আটকে রাখতে হবে। যাতে তারা নদীতে না নামতে পারে। প্রয়োজনে ঘাটগুলোতে পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে।

Model Hospital
চাঁদপুরে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৪ উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন।

তিনি বলেন, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফলভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে এর সুফল আমাদের জেলেরাই ভোগ করবে। তাই নির্ধারিত সময়ে আইন মান্য করে সকলকে মা ইলিশ শিকার থেকে বিরত থাকতে সকলকে আরো সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

চাঁদপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: গোলাম মেহেদী হাসানের সভাপ্রধানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোস্তাফিজুর রহমান, চাঁদপুর পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব পিপিএম, নৌ পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাখাওয়াত জামিল সৈকত, কোস্ট গার্ড ষ্টেশন কমান্ডার সাব লেফটেন্যান্ট এম ফজলুল হক, ঢাকা মৎস্য অধিদপ্তরের ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যাবস্থাপনা ‘১ম সংশোধিত’ প্রকল্প পরিচালক, মোল্লা এমদাদুল্যাহ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনষ্টিটিউট, নদী কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আমিরুল ইসলাম প্রমুখ।

সচেতনতামূলক সভা শেষে জেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড, জেলা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, জেলে প্রতিনিধিবৃন্দ ও সাংবাদিকসহ সুধীমহলের অংশগ্রহণে পদ্মা-মেঘনা নদীতে স্পীডবোট ও ট্রলার নিয়ে নৌ র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital