বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

কন্ট্রাকে মাছ ধরছে মোহনপুরে

চাঁদপুর পদ্মা মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করছে জেলেরা

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৪, ৪:০২ পিএম
চাঁদপুর পদ্মা মেঘনায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করছে জেলেরা

চাঁদপুর পদ্মা মেঘনা নদীর নৌ-অঞ্চলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ মাছ শিকার করছে শত শত জেলে।

মা ইলিস রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে জেলা প্রশাসকের কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরেও আইন মানছে না জেলেরা।

চাঁদপুর জেলায় মতলব উত্তর মোহনপুর ও হাইলচরে সবচেয়ে বেশি মাছ নিধন করছে।

মতলব উত্তর মোহনপুর নৌ পুলিশের সাথে কন্ট্রাক্ট করে জেলেরা নদীতে মাছ ধরছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মোহনপুর পুলিশ ফাঁড়ির সামনে মেঘনা নদীতে শত শত জেলে নৌকা মাছ ধরে তীরে এনে বিক্রি করতে দেখা যায়।  মৎস্য কর্মকর্তা ও নৌ পুলিশ যখন নদীতে নামে তার পূর্বেই মুঠোফোনে জেলেদেরকে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

Model Hospital

এ বছর মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে মোহনপুর নৌ পুলিশ ইনচার্জ কামরুজ্জামানের দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া ওই ফাঁড়ির এসআই জহির জেলেদের মাছ ধরার জন্য সহযোগিতা করেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশের নাকের ডগায় থেকে এভাবে মোহনপুরে শত শত জেলে প্রকাশ্য দিবালোকে নদীতে মাছ শিকার করার কারণে জনমনে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

এই বিষয়ে মোহনপুর নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ কামরুজ্জামানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, নদীতে জেলেরা প্রকাশ্যে মাছ ধরছে এই অভিযোগ মৎস্য কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তারাসহ যৌথ অভিযান চালানো হবে কিভাবে প্রকাশ্যে পুলিশ ফাঁড়ির সামনে মাছ ধরছে তার সৎ উত্তর দিতে ব্যর্থ হন তিনি।

এদিকে চাঁদপুর সদরের বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের লালপুর, আনন্দবাজার ,রাজরাজেশ্বর , শহরের পুরান বাজার রওনাগোয়াল, হরিনা ও চান্দ্রা বাখরপুর এবং হাইমচর নীলকমল মেঘনা নদীতে প্রকাশ্যে ইলিশ মাছ নিধন করছে।

অসাধু জেলেরা ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে বরফ এনে সেই মাছ বরফ জাত করে বিভিন্ন জায়গায় পাচার করছে।  মা ইলিশ মাছ রক্ষা করতে হলে নৌ পুলিশের পাশাপাশি জেলা পুলিশকে সংযুক্ত করে সাঁড়াশি অভিযান চালানো প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

মা ইলিশ রক্ষায় ১৩ অক্টোবর থেকে ৩ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন নদীতে সব ধরনের মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। নিষেধাজ্ঞাকালীন মাছ শিকারে নদীতে নামলে আটক ব্যক্তির সর্বোচ্চ ২ বছরের জেল, ৫ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান আছে। এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে মৎস্য বিভাগ ও নৌ-পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital