মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা আস্থা গ্রুপের ফাউন্ডিং চেয়ারম্যান চাঁদপুরের ওবায়দুল্লাহ

প্রিয় চাঁদপুর ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৪, ৬:৩৬ পিএম
একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা আস্থা গ্রুপের ফাউন্ডিং চেয়ারম্যান চাঁদপুরের ওবায়দুল্লাহ

বাংলাদেশের একজন উদীয়মান উদ্যোক্তা আস্থা গ্রুপের ফাউন্ডিং চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ আনসারী যিনি আস্থা গ্রুপের প্রতিষ্ঠা থেকে চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ১৭ বছরের কর্মজীবনে বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত ছিলেন যার মধ্যে ১৫ বছর ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিতে ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ।

সফল উদ্যোক্তা ওবায়দুল্লাহ আনসারী শাহরাস্তি উপজেলার হাজী বাড়ির বিষারা গ্রামের কৃতি সন্তান। তাঁর বাবা মাওলানা এ এফ এম আব্দুর রাজ্জাক ঢাকার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধানমন্ডি গভমেন্ট বয়েজ হাইস্কুলের শিক্ষক।

ওবায়দুল্লাহ আনসারী তার কর্মজীবন শুরু করেন ইসলামী ব্যাংক স্কুল এন্ড কলেজের গণিত বিভাগের শিক্ষক হিসেবে। পরবর্তীতে তিনি ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে কাজ করার সময় ফিনটেক ও ব্যাংকিং ব্যাবস্থাপনায় বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন।

ওবায়দুল্লাহ আনসারী তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য একজন আদর্শ ব্যক্তিত্ব। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ‘ঞধনঊফমব’ নামক একটি ফিনটেক স্টার্টআপের পরিচালক যা মাস্টার কার্ড দ্বারা যাচাইকৃত এবং ওয়াইকম্বিনেটর সমর্থিত। ওবায়দুল্লাহ আনসারীর উদ্যোগে বিভিন্ন উদ্যোক্তাদের জন্য প্রশিক্ষণ ও মেন্টরশিপ প্রোগ্রাম পরিচালিত হচ্ছে যেখানে তিনি আর্থিক সহায়তা ও মোটিভেশন এর মাধ্যমে সবাইকে উৎসাহিত করছেন। তার কাছে মনে হয় যে সফলতার জন্য সততা, কঠোর পরিশ্রম ও নিষ্ঠা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Model Hospital

তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিত বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন। এছাড়াও তিনি উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কমনওয়েলথ এক্সিকিউটিভ এমবিএ (ঈঊগইঅ)ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া ইনফরমেশন সিস্টেমে পেশাদারদের জন্য বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত সনদপত্র ঈবৎঃরভরবফ ওহভড়ৎসধঃরড়হ ঝুংঃবসং অঁফরঃড়ৎ-ঈওঝঅ সার্টিফিকেশন সম্পন্ন করেছেন। তার একাডেমিক ক্যারিয়ার জুড়ে তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন যা তার পরবর্তী কর্মজীবনে প্রভাব ফেলেছে।

ওবায়দুল্লাহ আনসারী শুধুমাত্র প্রযুক্তি ও ফিনটেকেই সীমাবদ্ধ নন বরং তিনি ভূ-রাজনৈতিক বিষয়গুলোতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে আস্থা প্রোপার্টি বাজার রিয়েল এস্টেট সেক্টরে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছেন। উড়সধরহ ড়ভ উবধষরহম এই স্লোগানকে প্রতিপাদ্য ধরে আস্থা প্রোপার্টি বাজার মধ্যবিত্ত ও উচ্চ মধ্যবিত্তদের আবাসনের প্রয়োজন পূরণে যুগান্তকারী অবদান রেখে চলেছে।

এছাড়া তার সুযোগ্য নেতৃত্বে আস্থা প্রুপ মানবসম্পদ রপ্তানি,ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস,সামাজিক ব্যবসায় আস্থার অন্যতম প্লাটফর্ম অওগ এর মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে আন্তঃকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ব্যাপক ভিত্তিক অবদান রেখে চলেছে।

ওবায়দুল্লাহ আনসারী কেবল একজন উদ্যোক্তা নন তিনি বিভিন্ন সমাজ সেবামূলক কাজেও জড়িত। তাঁর উদ্যোগে চাঁদপুরে শাহরাস্তিতে খাদিজাতুল কুবরা নূরানি কিন্ডার গার্ডেন ও বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়। এছাড়া মানব সেবা ও মানবিক কাজের অংশ হিসেবে তিনি অংঃযধ ঔওঞ (ঔঁংঃ ওহ ঞরসব) ব্লাড ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
ওবায়দুল্লাহ আনসারী একজন দূরদর্শী ও উদ্যমী উদ্যোক্তা যার নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক,সামাজিক ও ব্যবসায়ীক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।