রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়া জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ফয়েজ উল্লাহ’র বিদায় সংবর্ধনা

মো. রাছেল, নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:২৭ পিএম
কচুয়া জনতা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক ফয়েজ উল্লাহ’র বিদায় সংবর্ধনা

ম্যানেজার এটিএম ফয়েজ উল্লাহকে সম্মাননা স্মারক তুলে দিচ্ছেন কচুয়া বাজারের ব্যবসায়ীবৃন্দ।

জনতা ব্যাংক পিএলসি কচুয়া শাখার ব্যবস্থাপক এটিএম ফয়েজ উল্লাহকে বদলিজনিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকালে জনতা ব্যাংকের কার্যালয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আয়োজনে এই বিদায়ী সংবর্ধনা ও ফুলেল শুভেচ্ছা দেওয়া হয়।

কচুয়া বাজার ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনতা ব্যাংকের সম্মানিত গ্রাহক শাহাজাহান তালুকদারের সভাপতিত্বে ও কচুয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও ব্যবসায়ী প্রিয়তুষ পোদ্দারের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- রহিমানগর সাত-বাড়িয়া জনতা ব্যাংকের ম্যানেজার কার্তিক চন্দ্র ঘোষ, রহিমানগর সাত-বাড়িয়া শাখার সাবেক ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম, জনতা ব্যাংক এরিয়ার অফিসার জাহিদুল ইসলাম, সাত-বাড়িয়া জনতা ব্যাংকের সিনিয়র অফিসার (অবসরপ্রাপ্ত) বাবু বিমল চন্দ্র পোদ্দার, জনতা ব্যাংক কচুয়া শাখার সহকারি ব্যবস্থাপক নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কচুয়া বাজার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মো. হান্নান, রাকিবুল হাছান,মোঃ নজরুল ইসলাম, আবু সুফিয়ান মিয়াজী , কামরুজ্জামান মানিক , কচুয়া জনতা ব্যাংক পিএলসি শাখার কর্মকর্তা শুভ চন্দ্র সাহা, সাইফুল ইমলাম, তরিকুল ইসলাম, আব্দুর রহমান, প্রমিত সাহা।

Model Hospital
ম্যানেজার এটিএম ফয়েজ উল্লাহকে সম্মাননা স্মারক তুলে দিচ্ছেন কচুয়া বাজারের ব্যবসায়ীবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে সংর্বধিত বিদায়ী ম্যানেজার এটিএম ফয়েজ উল্লাহকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন কচুয়া বাজার ব্যবসায়ীবৃন্দ ও মেসার্স মা ট্রেডাসের স্বত্বাধিকারী প্রিয়তুষ পোদ্দার।

এছাড়া জনতা ব্যাংকের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা বিদায়ী ম্যানেজার এটিএম ফয়েজ উল্লাহকে সম্মাননা স্মারক ও উপহার সামগ্রী প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, এটিএম ফয়েজ উল্লাহ ২০২০ সালে কচুয়া জনতা ব্যাংকে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকেই সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্বপালন করে গ্রাহকদের সাথে সু-সম্পর্ক বজায় রেখে সুনামের সহিত দায়িত্ব পালন করেছেন।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।