রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

আপন কিডস স্পোকেন সেন্টারের ইংরেজি বানান প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:৫৬ পিএম
আপন কিডস স্পোকেন সেন্টারের ইংরেজি বানান প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত
আপন কিডস স্পোকেন সেন্টারের আয়োজনে ইংরেজি বর্ণাক্ষরে শুদ্ধ বানান প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৩ জানুয়ারি সোমবার বিকেলে চাঁদপুর রোটারি ভবন মিলনায়তনে এ আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. আরশাদ উদ্দিন।

তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে, আমাদের সন্তানদের বাংলা ভাষার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ভাষা ইংরেজিতেও দক্ষ এবং পারদর্শী হয়ে উঠতে হবে।

ইংরেজিতে শুদ্ধ উচ্চারণ এবং হাতের লেখায় দক্ষতা অর্জন করতে হবে। আপন কিডস স্পোকেন সেন্টার ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ইংরেজি বর্ণাক্ষরে হাতে লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। যা প্রশংসা দাবি রাখে।

তিনি আরও বলেন, আমরা মনে করি এটি একটি সময়োপযোগী আয়োজন। এমন আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের সন্তানদের মাঝে ইংরেজি লেখার ভীতি দূর হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মাঝে সুস্থ প্রতিযোগিতার মনোভাব তৈরি হবে। এই আয়োজন সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

Model Hospital

আপন কিডস স্পোকেন সেন্টারের ফাউন্ডার ও প্রেসিডেন্ট রোটারিয়ান ডাক্তার রাশেদা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের উপদেষ্টা জিতু মিয়া বেপারী, রোটারিয়ান মাসুদ হাসান, সহ-সভাপতি রোটারিয়ান আশরাফুল আরিফ, চাঁদপুর ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মৃণাল কান্তি দাস, আপন কিডস স্পোকেন -এর মেন্টর ওয়ালী উল্লাহ, আপনের সাধারণ সম্পাদক আশিক বিন রহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিত্তুল মুনা চৈতি, রোটারিয়ান নাজমুল আসিফ নিশু প্রমুখ।

আপনের সদস্য তাসফিয়া সুলতানার পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী তাদের শিক্ষক, অভিভাবক এবং বিচারক মন্ডলীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনটি বিভাগে অনুষ্ঠিত এ ইংরেজি বানান প্রতিযোগিতায় চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৭ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন, আপন কিডস স্পোকেন সেন্টারের মেন্টর এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ।

প্রতিযোগিতার অংশগ্রহণকারী বিজয় শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট এবং সনদ প্রদান করা হয়। আয়োজনের সহযোগিতায় ছিলো ফেমাস ডেন্টাল কেয়ার।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।