মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রউফ এর ১২তম মৃ ত্যু বার্ষিকী

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১১:০০ পিএম
বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রউফ এর ১২তম মৃ ত্যু বার্ষিকী

শাহরাস্তির বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুর রউফ ২০১৩ সালের ১৫ ই জানুয়ারী ইন্তেকাল করেন।

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, ৩ ছেলে, ৩ মেয়ে, নাতি নাতনি সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান।

তিনি ১৯৫০ সালের পহেলা জানুয়ারী জন্মগ্রহণ করেন।পিতা মৌলভী আবদুল গফুর ছিলেন তৎকালীন দেশ বরেন্য আলেম। মাতা হালিমা খাতুন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের মেয়ে।

খুবই অল্প বয়সে আবদুর রউফ পিতা হারা হন। ৪ ভাইয়ের মধ্যে ২য় আবদুর রউফ পিতা মৃৃত্যুবরন করার পর ছোটবেলা থেকেই পরিবারের হাল ধরতে কাজে লেগে যান। ১৯৬৮ সালে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
মাত্র ২২ বছর বয়সে ৭১ এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সেনা কর্মকতা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। হাবিলদার হিসেবে ১নং সেক্টরের অধীনে একটি গ্রুপের লিডার ছিলেন তিনি। ১নং সেক্টরে চট্রগ্রামের বিশাল এলাকা জুড়ে যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

Model Hospital

১৯৮৮ সালে অবসরের পর অনেক ধরনের ব্যবসায় জড়িত হন। আমৃত্যু ব্যবসা করে দিন কেটেছে তার। মরহুম আবদুর রউফ এলাকার সকলের নিকট একজন নীতিবান সৎ লোক হিসেবে পরিচিত ছিলো। হঠাৎই ২০১৩ সালের ১৫ ই জানুয়ারী নিজ বাসভবনে মৃৃত্যুবরন করেন।

মৃত্য বার্ষিকীতে পরিবারের পক্ষ থেকে দেশবাসীর নিকট এ মহান বীর মুক্তিযোদ্ধার জন্য দোয়া কামনা করা হয়।

আল্লাহ যেনো তার এই বান্দাকে কবুল করে জান্নাতের উঁচু আসনে অধিষ্ঠিত করেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।