রাজনৈতিক নতুন বন্দোবস্ত ছাড়া জাতির মুক্তি আসবে না : জয়নাল আবেদীন
নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫, ১২:৪২ এম
বালিয়া ইউনিয়নে গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি শেখ মুহাম্মাদ জয়নাল আবেদীন পাশে জনসমাগমের একাংশ।
সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার এবং ইসলামী সমাজ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে বালিয়া ইউনিয়নে ইসলামী আন্দোলনের গণসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার ফরাক্কাবাঁধ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই সমাবেশের আয়োজন করেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বালিয়া ইউনিয়ন শাখা।
গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ইসলামী আন্দোলনের চাঁদপুর জেলা সভাপতি জননেতা শেখ মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।
তিনি বলেন, সাম্য মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। অথচ ৭২ এর সংবিধানে সাম্য মানবিক মর্যাদা সামাজিক ন্যায়বিচার মুক্তিযুদ্ধের মূল স্লোগান বাদ দেওয়া হয়েছে। সেখানে গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এভাবে ১৯৪৭ সালেও ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে মুক্তি কামী মানুষের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে। ঠিক একইভাবে ৭১ সালেও মুক্তিযুদ্ধাদের রক্তের সাথে প্রতারণা করা হয়েছে।
৫ অগস্টের রক্ত যদি বৃথা যায় তাহলে আমাদের কপালে আরো অনেক দুর্ভাগ্য অপেক্ষা করছে। ৫ আগস্ট তৈরি হয়েছে বিগত ৫৩ বছরের রাজনৈতিক অব্যবস্থার বিরুদ্ধে নতুন একটি রাজনৈতিক বন্দোবস্ত তৈরি করার লক্ষ্যে। যেখানে দল মত ধর্ম নির্বিশেষে সকল নাগরিকের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে।
বালিয়া ইউনিয়নে গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছেন ইসলামী আন্দোলনের জেলা সভাপতি শেখ মুহাম্মাদ জয়নাল আবেদীন পাশে জনসমাগমের একাংশ।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল হল সামাজিক প্রতিষ্ঠান, দায়িত্বশীল নেতারা হলো সমাজসেবক। রাজনৈতিক নেতাদেরকে রাজনীতি নিয়ে বাণিজ্যিক মনোভাব পরিহার করতে হবে। রাজনীতিতে যদি বাণিজ্য প্রথা তুলে দেয়া যায় তাহলে ভালো মানুষ রাজনীতিতে আসার সুযোগ পাবে।
বালিয়া ইউনিয়ন ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ মানিক মিয়া খোকনের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারী মুফতি আশরাফুল ইসলামের সঞ্চালনায় গণ সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর জেলা ইসলামী আন্দোলনের প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ নুরুদ্দীন, সদর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সভাপতি ডাক্তার বেলাল হোসাইন, জেলা শ্রমিক আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা আবুল বাশার তালুকদার, সদর উপজেলা যুব আন্দোলনের সভাপতি শেখ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি আব্দুল মোতালেব চৌধুরী।
এছাড়াও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর চাঁদপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হুসাইন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আমির হোসেন বিন নূরী, সহকারী অর্থ ও প্রকাশনা সম্পাদক আলহাজ্ব শরিফুল ইসলাম, সদর উপজেলা ইসলামী আন্দোলনের সেক্রেটারী ডাক্তার মজিবুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা সাব্বির আহমেদ, নির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ নাসির খান।
এছাড়াও সমাবেশ বালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে ইসলামী আন্দোলনের শত শত নেতা কর্মীরা খন্ড খন্ড মিছিল নিয়ে সমাবেশে জড়ো হয়। গণ সমাবেশ কে কেন্দ্র করে জুমার পর থেকে ফরাক্কাবাধ স্কুল ও বাজার এলাকা গণমানুষে পরিণত হয়।
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী
মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।
পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।