মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

বিজেপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব হলেন রফিকুল ইসলাম

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ২৮ মে, ২০২৫, ১০:৩৩ পিএম
বিজেপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব হলেন রফিকুল ইসলাম
চাঁদপুরের কৃতিসন্তান, পুরান ঢাকায় বেড়ে ওঠা দেওয়ান মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের ২০০৪-২০০৫ সেশনের মেধাবী ছাত্র ছিলেন, সাবেক ছাত্রনেতা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব দেওয়ান মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপির  ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন।

সোমবার (২৬ মে) বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে দেওয়ান মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, তারুন্য নির্ভর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষে বিজেপি চেয়ারম্যান জননেতা ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। আগামীর বাংলাদেশের নেতৃত্বে দিবেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে আমরাও তাঁর নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে ঢাকা মহানগর দক্ষিণকে আদর্শিক রাজনৈতিক নগর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ করে যাবো, ইনশাআল্লাহ।

এদিকে, দেওয়ান মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বিজেপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সদস্য সচিব নির্বাচিত হওয়ায় বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ’র প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

Model Hospital

অন্যদিকে, সহকারী অধ্যাপক দেওয়ান মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, বিজেপির ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সদস্য সচিব নির্বাচিত হওয়ায় দলীয় বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীসহ শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ছোটবেলা থেকেই দেওয়ান মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম পারিবারিকভাবে মানুষের কল্যাণে ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করে আসছেন। তিনি বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা ও সেবামূলক  প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত আছেন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।