মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

নাসির উদ্দিন ইসলামী আন্দোলন চাঁদপুর জেলা এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ জুন, ২০২৫, ৬:৩৯ পিএম
নাসির উদ্দিন ইসলামী আন্দোলন চাঁদপুর জেলা এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার এসিস্টেন্ট সেক্রেটারী মনোনীত হয়েছেন আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা নাসির উদ্দিন।

শুক্রবার (২ জুন) বাদ মাগরিব আইএবি জেলা কার্যালয়ে জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ মকসুদুর রহমান এসিস্টেন্ট সেক্রেটারি পদে আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা নাসির উদ্দিনকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চাঁদপুর জেলা শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মাওলানা গাজী মোহাম্মদ হানিফ, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব জামিল আহমদ জাকির, পীরজাদা মাওলানা আফসার উদ্দিন, সেক্রেটারি কে এম ইয়াসিন রাশেদসানি, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা হেলাল আহমাদ সহ অন্যান্য দায়িত্বশীলবৃন্দ।

নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, দ্বীনকে জীবনের উদ্দেশ্য হিসেবে গ্রহণ করেই ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা পথ চলে। গণমানুষের প্রাণের প্রিয় সংগঠনে পরিণত হচ্ছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। বর্তমান সময়ের সুশৃংখল এবং দায়িত্বশীল সংগঠন হিসেবে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নিজেদেরকে প্রতিনিয়ত প্রমাণিত করে যাচ্ছে।

Model Hospital
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কখনো নিছক রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের জন্য আন্দোলন করে না, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সূচনালগ্ন থেকে ইসলামের সু-মহান আদর্শের ভিত্তিতে একটি কল্যাণরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে। তাই আমরা আর বিভেদ না সৃষ্টি করে এক হয়ে ইসলাম ও দেশ মানবতার উন্নতির লক্ষ্যে এক হয়ে যেন কাজ করতে পারি।
উল্লেখ্য: গণমানুষের আস্থাভাজন নেতা পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম এর আদর্শ ও নৈতিকতা এবং ইসলামী আন্দোলনের কার্যক্রমের উপর বিশ্বাস ও আস্থা রেখে আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা নাসির উদ্দিন সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হন।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।