শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কুমিল্লায় কোরবানির দিনে মাংস কাটতে গিয়ে আহত ৫৫ জন

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ৭ জুন, ২০২৫, ১০:২০ পিএম
কুমিল্লায় কোরবানির দিনে মাংস কাটতে গিয়ে আহত ৫৫ জন

ঈদুল আজহার প্রথম দিনেই কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটাকাটির সময় অসাবধানতাবশত কুমিল্লায় আহত হয়েছেন অন্তত ৫৫ জন। এদের মধ্যে অধিকাংশই তরুণ যুবক, যারা শখের বসে নিজেরাই মাংস কাটতে গিয়েছিলেন। তবে আহতদের মধ্যে কয়েকজন পেশাদার কসাইও রয়েছেন।

শনিবার (৭ জুন) দুপুর দেড়টা পর্যন্ত কুমিল্লা সদর হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। সদর হাসপাতালে ২৫ জন এবং মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও ৩০ জন ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আহতরা জানান, অনেকেই কসাইয়ের কাজ না জেনেও মাংস কাটতে গিয়ে নিজেদের হাত-পা কেটে ফেলেছেন। গুরুতর জখম হওয়ায় অনেককে সদর হাসপাতাল থেকে পাঠানো হয় কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।

সদর উপজেলার বাসিন্দা ইমরান আহমেদ বলেন, “ঈদের আনন্দে পরিবারের সবাই মিলে কোরবানি দিই। এরপর আমি মাংস কাটতে গেলে ছুরি পিছলে আমার আঙুলে লাগে। রক্ত ঝরতে থাকে, পরে হাসপাতালে গিয়ে ৩টি সেলাই দিতে হয়েছে।”

Model Hospital

ভুবনঘর এলাকার কাশেম তালুকদার জানান, গরুর হাড় কাটতে গিয়ে হাতের কব্জিতে গুরুতর আঘাত পান। “আল্লাহ বাঁচাইছে,” বলেন তিনি, “আরেকটু হলেই কব্জি কেটে যেত। এখন আমাকে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে।”

টিক্কার চর এলাকা থেকে আসা মো. রাসেল বলেন, “অভিজ্ঞতা ছাড়া মাংস কাটতে গেলে দুর্ঘটনা হবেই। ছুরি বা চাপাতি সহজেই পিছলে যায়। তাই অপ্রশিক্ষিতদের এ কাজ না করাই ভালো।”

এদিকে পেশাদার কসাই রুহুল আমীন, যিনি বালুতুপা থেকে এসেছেন, জানান, হাড় কাটার সময় তার পায়ে চাপাতি পড়ে যায়। তিনি বলেন, “সদর হাসপাতালে জায়গা হয়নি, পরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে।”

এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মো. জোবায়ের জানান, “দুপুর দেড়টা পর্যন্ত অন্তত ২০ জনকে আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছি। অধিকাংশের হাত-পায়ে কাটা লেগেছে। গুরুতর আহতদের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।”

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital