রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

পরিবারের ১২ জন কোরআনে হাফেজ, ৯ মাসেই মুখস্থ করলো সাত বছরের শিশুটিও

অনলাইন ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ জুন, ২০২৫, ১০:৫৬ এম
পরিবারের ১২ জন কোরআনে হাফেজ, ৯ মাসেই মুখস্থ করলো সাত বছরের শিশুটিও

মাত্র ৯ মাসে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে ৭ বছরের মুহাম্মাদ হাফেজ

মাত্র ৭ বছর বয়সেই সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআন ৯ মাসে মুখস্থ করে হাফেজ হওয়ার বিরল গৌরব অর্জন করেছে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার শিশু মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ। অসাধারণ এ অর্জনে আনন্দে ভাসছেন তার পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকার মানুষ।

মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর ইউনিয়নের সাতবাড়ীয়া ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকার মুফতি আব্দুল্লাহ বিন আমজাদের ছেলে। মাত্র সাড়ে ৫ বছর বয়সে হেফজের প্রস্তুতি শুরু করে সে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে হেফজ শুরু করে এবং ২০২৫ সালের মে মাসে তা সম্পন্ন করে।

শিশু মুহাম্মাদ স্থানীয় একটি নূরানী মাদ্রাসায় প্লে শ্রেণিতে ভর্তি হয় ২০২৩ সালে। সেখানে এক বছরের মধ্যে প্লে ও নার্সারি সম্পন্ন করে। এরপর তার মা হাফেজা আলেমা মাসুমা জান্নাত ও নানি হাফেজা আলেমা রাবেয়া বসরীর তত্ত্বাবধানে শুরু হয় তার হেফজ যাত্রা।

পরিবার জানায়, প্রতিদিন নিয়মিতভাবে দুই থেকে চার পৃষ্ঠা মুখস্থ করত মুহাম্মাদ। এমনকি শুক্রবারেও তার কোনো ছুটি ছিল না। প্রতিদিন গড়ে ১০–১১ মিনিটে এক পৃষ্ঠা মুখস্থ করতে পারত সে।

Model Hospital

মুহাম্মাদের নানি রাবেয়া বসরী বলেন, “ওর মনোযোগ ও মেধা ঈর্ষণীয়। একনিষ্ঠভাবে পড়াশোনা করেছে বলেই এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। আমরা চাই, সে একদিন বিশ্বজয়ী হাফেজ হোক।”

শিশুটির মা মাসুমা জান্নাত বলেন, “ওর মুখে প্রথম উচ্চারিত শব্দ ছিল ‘আল্লাহ’। তখন থেকেই ইচ্ছা ছিল তাকে হাফেজ বানাবো। আল্লাহর রহমতে সেই ইচ্ছা পূর্ণ হয়েছে। তবে এর পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান ওর নানুমনির।”

পিতাও গর্ব করে বলেন, “আমার ছেলে যেটা করেছে, তা অনেকটাই অলৌকিক। পরিবারে ১২ জন হাফেজ থাকলেও মুহাম্মাদের এই গতিতে হেফজ করার নজির আর নেই।”

মুহাম্মাদ বিন আব্দুল্লাহ নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, “আমি আমার নানুমনির কাছে হাফেজ হয়েছি। প্রতিদিন ৫ লাইন করে মুখস্থ করতাম, পরে এক পৃষ্ঠা রিভাইজ দিতাম। ধীরে ধীরে সবক বেড়ে চার পৃষ্ঠা পর্যন্ত উঠেছিল। আমার হাফেজ হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান নানুর।”

শিশুটির এ অর্জন শুধু পরিবার নয়, গোটা এলাকার জন্যই গর্বের। সবাই তার উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন।

প্রিয় চাঁদপুরে সংবাদ প্রকাশের পর হাজীগঞ্জের ‘জাউরা’ গ্রুপের রাফি গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:১৮ পিএম
প্রিয় চাঁদপুরে সংবাদ প্রকাশের পর হাজীগঞ্জের ‘জাউরা’ গ্রুপের রাফি গ্রেপ্তার

প্রিয় চাঁদপুরে সংবাদ প্রকাশের পর গ্রেপ্তার ‘জাউরা’ গ্রুপের সিয়াম হোসেন রাফি!

হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রাজমিস্ত্রী শুকু

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের ভাটরায় ‘জাউরা’ গ্রুপের হামলায় মো. শুকুর আলম (২৫) নামে এক রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় প্রিয় চাঁদপুরে সংবাদ প্রকাশের পর ‘জাউরা’ গ্রুপের সিয়াম হোসেন রাফিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এসআই মো. জুয়েলের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সিয়াম হোসেন রাফিকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Model Hospital

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ৪নং কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নের ভাটরা গ্রামের মজুমদার বাড়িতে একটি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে সাউন্ডবক্সের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে মারধরের ঘটনায় শুকুর আলম মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এ ঘটনায় তারেক (২০) নামে আরও একজন আহত হন।

আহত শুকুর আলমকে প্রথমে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি অচেতন অবস্থায় চিকিৎসাধীন বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘ভাটরার জাউরা’ গ্রুপের সদস্যদের বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অপকর্ম ও হামলার অভিযোগ রয়েছে।

হাজীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কাওসার আলম ভূঁইয়া জানিয়েছেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রিয় চাঁদপুরে সংবাদ প্রকাশের পর সিয়াম হোসেন রাফি গ্রেপ্তার হওয়ায় এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।