বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

চাঁদপুর-২ আসনে এমপি প্রার্থী মুফতী মানসুর আহমদ সাকী

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫, ৮:২৬ পিএম
চাঁদপুর-২ আসনে এমপি প্রার্থী মুফতী মানসুর আহমদ সাকী

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক ও ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ এর সেক্রেটারি জেনারেল মুফতী মানসুর আহমদ সাকী’ ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর-দক্ষিণ) আসনে চরমোনাই পীর সাহেবের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ (হাতপাখা) প্রতীক নিয়ে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন বলে ব্যক্তি সূত্র জানা গেছে।

ইতিমধ্যে সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যন্ত সংগঠনকে গতিশীল করার কাজে ব্যস্ত আছেন তিনি।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে মুফতী মানসুর আহমদ সাকী’র প্রতিবেদনটি তুলে ধরেছেন আমাদের চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি সাইদ হোসেন অপু চৌধুরীর।

প্রিয় চাঁদপুর : বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

Model Hospital

মানসুর আহমদ সাকী: বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থা জনগণের পূর্ণ আস্থার প্রতিফলন ঘটাতে ব্যর্থ। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন প্রয়োজন যেখানে দল-মত নির্বিশেষে মানুষ তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বরাবরই স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের পক্ষে। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করুক। পাশাপাশি আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন ও প্রতিটা নাগরিকের ভোটের সমানভাবে প্রতিফলনের মধ্যে দিয়ে সংসদে প্রতিনিধিত্ব সরকার গঠনের জন্য পিআর পদ্ধতি নির্বাচন দাবী করছে। আনুপাতিক নির্বাচন ব্যবস্থা গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে এবং ভোটারদের মতামতকে যথাযথভাবে প্রতিফলিত করবে।

প্রিয় চাঁদপুর : আপনি জনগণের কোন কোন অধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছেন?

মানসুর আহমদ সাকী: প্রতিটি নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা, বাকস্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ—এগুলো মৌলিক অধিকার। আমি চাই মতলববাসী যেন তাদের ন্যায্য অধিকার অবাধে পায়। স্থানীয় সমস্যা যেমন রাস্তা, স্বাস্থ্যসেবা, পানি-বন্যা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদিতে নাগরিকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সিদ্ধান্ত হবে।

প্রিয় চাঁদপুর : শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে আপনার পরিকল্পনা কী?

মানসুর আহমদ সাকী: প্রথমত, গ্রামীণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষকের স্বল্পতা, অবকাঠামোর দুর্বলতা এবং আধুনিক শিক্ষা উপকরণের অভাব দূর করতে হবে। পাশাপাশি ইসলামি মূল্যবোধভিত্তিক চরিত্রগঠনমূলক শিক্ষাব্যবস্থা চালু করতে চাই।চিকিৎসার ক্ষেত্রে, প্রত্যেক ইউনিয়নে মানসম্মত কমিউনিটি ক্লিনিক ও উপজেলা হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ডাক্তার-ঔষধ নিশ্চিত করা হবে।

প্রিয় চাঁদপুর : কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে আপনার অবস্থান কী?

মানসুর আহমদ সাকী: মতলব একটি কৃষিনির্ভর অঞ্চল। কৃষকদের সহজ শর্তে ঋণ, সার-বীজ প্রাপ্তি, ফসলের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে। নদীভাঙন রোধ ও কৃষিজমি রক্ষা, সেচব্যবস্থা আধুনিকায়ন—এসব বিষয়ে কাজ করবো। কৃষকের সন্তান যেন গর্ব নিয়ে বলে, ‘আমার বাবা কৃষক’—এমন সম্মান ফিরিয়ে আনবো ইনশাআল্লাহ।

প্রিয় চাঁদপুর : মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপনি কী ধরনের পদক্ষেপ নিবেন?

মানসুর আহমদ সাকী: মাদক ও সন্ত্রাস যুবসমাজের ধ্বংস ডেকে আনছে। তাই সচেতনতা ও কঠোর আইন প্রয়োগ—দুটোই একসাথে দরকার। আমি চাই পরিবার, মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন মিলে একটি সমন্বিত উদ্যোগে কাজ করুক। খেলাধুলা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বাড়িয়ে যুবকদের বিকল্প পথ দিতে হবে।

প্রিয় চাঁদপুর : “স্মার্ট মতলব” বলতে আপনি কী বুঝাচ্ছেন?

মানসুর আহমদ সাকী: স্মার্ট মতলব বলতে আমি বুঝি—একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন, শিক্ষিত ও সচেতন সমাজ। যেখানে নাগরিক সেবা ডিজিটাল, কৃষি উৎপাদন আধুনিক, যানবাহন ও বাজার ব্যবস্থা উন্নত, তরুণরা কর্মসংস্থানে যুক্ত, প্রবীণরা সুরক্ষিত, এবং নারী-শিশুর প্রতি সহিংসতা থাকবে না। একটি ভারসাম্যপূর্ণ, মানবিক, প্রযুক্তি-সক্ষম মতলব গড়াই আমাদের লক্ষ্য।

শেষ কথা: আমি মানসুর আহমদ সাকী, মতলব উত্তর-দক্ষিণের মানুষের কাছে হাতপাখা প্রতীকে ভোট চাই। আপনারা পরিবর্তন চান, আমরাও চাই। চলুন আমরা সবাই মিলে স্মার্ট ও শান্তিপূর্ণ মতলব গড়ি।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital