শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে সিএনজিতে গ্যাস দেওয়ার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা…

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫, ৮:৩০ পিএম
ফরিদগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে সিএনজিতে গ্যাস দেওয়ার সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনা…
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ভাটিয়ালপুরে এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে যাচ্ছিল—তবে শেষ মুহূর্তে কেবল ভাগ্য আর দমকল বাহিনীর তৎপরতায় রক্ষা পেল শতাধিক পরিবার।
বুধবার (৩০ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে ভিটিয়ালপুর জে.কে. এলপিজি ফিলিং স্টেশনে একটি সিএনজিতে গ্যাস দেওয়ার সময় হঠাৎ করে গ্যাস ট্যাংকের মুখের নজেল খুলে যায়। মুহূর্তের মধ্যে প্রায় ৬ হাজার লিটার গ্যাস বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে গ্যাসের ঝাঁজালো গন্ধ, সৃষ্টি হয় তীব্র আতঙ্ক।
জানা গেছে, ফিলিং স্টেশনের পেছনেই ছিল সাড়ে ৮ হাজার লিটারের গ্যাস ট্যাংক। এর পাশেই রাখা ছিল আরও দুই-তিন হাজার এলপিজি বোতল। এর মধ্যে কোনো একটি স্ফুলিঙ্গ ছিটকে গেলে কি হতে পারত, তা কল্পনাতেই গা শিউরে ওঠে।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। পানি ছিটিয়ে ট্যাংকের কাছে গিয়ে  নজেলটি বন্ধ করা হয়।
তিনি বলেন, “কেউ যদি অসাবধানতাবশত একটি সিগারেটও জ্বালাত, তাহলে পুরো এলাকা ছাই হয়ে যেত। এত গ্যাস একসঙ্গে লিক হওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক।”
জে.কে. এলপিজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার সজিব বলেন, “আমি নিজেই গ্যাস দিচ্ছিলাম। হঠাৎ গ্যাস ট্যাংকের একটি নজেল খুলে গিয়ে প্রচণ্ড শব্দে গ্যাস বের হতে থাকে। চোখের সামনেই এলাকা সাদা ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।”
এলপিজি পাম্পের মালিক তোফাজ্জল হোসেন জানান, সকালে নতুন করে সাড়ে আট হাজার লিটার গ্যাস আনা হয়েছিল। বিকেলের দুর্ঘটনায় প্রায় ছয় হাজার লিটার গ্যাস বাতাসে ছড়িয়ে যায়।
তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বা গাফিলতির বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি কোনো স্পষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, পাম্প কর্তৃপক্ষ নিয়মিত নিরাপত্তাবিধি মানে না। আগুন নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও অপ্রতুল।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “একটা মূহূর্তে মনে হচ্ছিল চারদিক বিস্ফোরণে কেঁপে উঠবে। ছোট বাচ্চাদের নিয়ে দৌড়ে নিরাপদ জায়গায় পালাই।”
এই ঘটনায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্তের দাবি উঠেছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন—আরেকবার যদি এমন কিছু হয়, তখন কি কেবল ‘ভাগ্য’ই ভরসা?

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital