সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ধানের শীষের সমর্থনে ইছাপুরা দক্ষিণ ব্লক কমিটির নারী উঠান বৈঠক

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৮:৪০ পিএম
শাহরাস্তিতে ধানের শীষের সমর্থনে ইছাপুরা দক্ষিণ ব্লক কমিটির নারী উঠান বৈঠক
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে  শাহরাস্তি উপজেলায় ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থনে নারী উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১২,ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার টামটা উত্তর ইউপির ইছাপুরা দক্ষিণ গ্রামে ইউপি বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের ব্লক কমিটির উদ্যোগে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এতে ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. কিরন মুন্সীর সভাপতিত্বে আয়োজিত বৈঠকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে  বৈঠক পর্যবেক্ষণ করে বক্তব্য রাখেন,  শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, সমাজসেবক ও শিক্ষা অনুরাগী আবু ইউসুফ পাটওয়ারী রুপন।তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নারী সমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতের সব আন্দোলন-সংগ্রামে নারীরা সাহসী ভূমিকা রেখেছেন, এবারও ধানের শীষের বিজয়ে নারীরাই হবে মূল শক্তি।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ওই  ইউনিয়ন বিএনপির ব্লক কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ম সম্পাদক গোলাম ফারুক সাগর, রবিউল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আয়াত আলী বেঙ্গল, বিএনপি নেতা ইকরামুল হাওলাদার রহিম,বিএনপি নেতা আলাউদ্দিন হেলাল মুন্সি, যুবদল সভাপতি মো. আলম, যুবদল সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাবিব, আলেয়া বেগম ও আইয়ুব মেম্বার।বৈঠকে সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নারী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান এবং নারী ভোটারদের সক্রিয় ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন।বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, নারী ভোটারদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আগামী জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করবে।বৈঠকে উপস্থিত নারীরা বলেন, বর্তমান বাস্তবতায় আমরা আমাদের ভোটাধিকার ও ন্যায্য অধিকার ফিরে পেতে চাই। নারী সমাজ আজ সচেতন, আমরা ঘরে বসে থাকব না—ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করব।
স্থানীয় গৃহিণী ও কর্মজীবী নারীরা আরও জানান, দেশের অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে একটি গ্রহণযোগ্য ও জনগণের সরকার প্রয়োজন, আর সেই প্রত্যাশা থেকেই তারা ধানের শীষ প্রতীকের প্রতি ও লায়ন ইন্জিঃ মমিনুল হকের  সমর্থন জানান।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।