বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩

সমাজসেবায় ৯ বছরের পথচলা: জীবনদীপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা

সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:০৩ পিএম
সমাজসেবায় ৯ বছরের পথচলা: জীবনদীপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা সভা

জীবনদীপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে প্রধান অতিথি বীর মুক্তিযোদ্ধা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর (অবঃ) ড. কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিকট থেকে রক্তদাতা হিসেবে শুভেচ্ছা স্মারক গ্রহণ করেন বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি জেলা শাখার আজীবন সদস্য সাংবাদিক মোঃ আলমগীর হোসেন পাটওয়ারী।

১৪ ডিসেম্বর জীবনদীপ (মানব উন্নয়ন সেবামূলক সংস্থা) এর ৯ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার সন্ধ্যায় জীবনদীপের কার্যালয়ে আলোচনা সভা, পুরস্কার, শুভেচ্ছা স্মারক ও সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে বীর শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর (অবঃ) ড. কাজল বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফয়েজ আহমেদ। শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রাখেন জীবনদীপের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি এডভোকেট বিনয় ভূষণ মজুমদার।

সংগঠনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং পরিচালক মৃদুল কান্তি দাসের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর সমাজসেবা কার্যালয়ের নিবন্ধন কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা অজিত সাহা, শব্দ সৈনিক পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষ্ণা সাহা, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাসুদেব মজুমদার, মরণোত্তর দেহ দানকারী শোভা বিশ্বাস, শিক্ষক সুরজিৎ কর, রক্তদাতা মানিক চন্দ্র ভৌমিক, প্রিয়তোষ পোদ্দার, হাসেম সরকার, আরিফুল ইসলাম, আশিক বিন রহিম, আমিনুল ইসলাম, সানি, সংগঠনের উপদেষ্টা আশিষ মজুমদার।

Model Hospital

বক্তারা বলেন, জীবনদীপ একটি সেবামূলক মানবিক সংগঠন। তারা মানুষ ও মানবতার জন্য কাজ করে। এ সংগঠনটি সমগ্র বাংলাদেশে অজস্র মানুষকে রক্ত দিয়েছে। জীবনদীপের মাধ্যমে অসংখ্য মানুষ রক্তদান, মনোত্তর দেহদান ও ১১ ধরনের অঙ্গদান, দাতব্য দন্ত চিকিৎসা সেবা ও আইনি সহায়তা করে আসছেন। আমরা এই সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি। তারা যাতে আরো বেশি মানবকল্যান কাজ করে সে প্রত্যাশা রইলো। আমরা জীবনদীপের সাথে ছায়ার মত থাকবো।

আলোচনা সভা শেষে জীবনদীপের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের কার্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহণে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। সবশেষ জীবনদীপের মাধ্যমে রক্তদাতা , মরণোত্তর দেহদান ও ১১ ধরনের অঙ্গদান ও সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির সকল সদস্যকে শুভেচ্ছা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
কেএফটিতে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্বোধন
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলা সদরের ঢাকিরগাঁওয়ে অবস্থিত কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বয়েজ উইংয়ে ‘আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি’ উদ্ধোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরি ফিতা কেটে উদ্ধোধন করেন বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব এম.এ বারী।উদ্বোধন শেষে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের ধর্মীয় শিক্ষক আব্দুল মালেক মিয়াজী।
পরে কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের অডিটোরিয়ামে আব্দুর রহমান মোল্লা লাইব্রেরির উদ্ধোধনী অনুষ্ঠিত হয়। কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা বেলায়েত হোসেন জুলহাসের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশিষ্ট দানবীর ও সমাজসেবক আলহাজ্ব  এম.এ বারী। প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতেই তিনি তার মরহুম পিতা আব্দুর রহমান মোল্লার নামে লাইব্রেরিটি করায় মহান আল্লাহ তায়ালার প্রতি শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি বলেন, আমি আমার  জীবদ্দশায় অসহায় গরীব দুঃখী মানুষের কল্যানে কাজ করেছি। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রীদের লেখাপড়া, চিকিৎসা, বাস্থান ও বিয়ের জন্য আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মানুষের এবং সমাজের কল্যাণে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের বিষয়ে তিনি বলেন, এ কলেজটি একদিন দেশের অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। দেশ-বিদেশের ছাত্র ছাত্রীরা ভর্তি হয়ে পড়াশোনা করবে। মতলববাসীর নিকট আকুল আবেদন আপনারা কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের সাথে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেসবাহ উদ্দিন সরকার, মতলব দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে.এম ইশমাম এবং জাপান অধিবাসী ইয়াসুও হিরায়ামা।
বক্তব্যে অতিথিরা লাইব্রেরির গুরুত্ব, বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের জ্ঞান ও মননশীলতা বিকাশে পাঠাগারের ইতিবাচক ভূমিকা তুলে ধরেন। তাঁরা শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়তে এবং জ্ঞান অর্জনের এই সুযোগ কাজে লাগাতে উৎসাহিত করেন।
একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, সৃজনশীলতা ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার। বই হোক জ্ঞানের আলো, লাইব্রেরি হোক আলোকিত ভবিষ্যতের সোপান।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলের প্রিন্সিপাল ও সাবেক সচিব মো. জাকির হোসেন কামাল।
অনুষ্ঠানের পূর্বে স্কাউট, গার্লস গাইড ও রেড ক্রিসেন্টের সদস্যরা অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রতিষ্ঠানের  বিভিন্ন শ্রেণির সেরা পারফরমার ও ক্লাস ক্যাপ্টেনদের উপস্থিতিতে অতিথিদের ফুল, উত্তরীয় ও উপহারসামগ্রী দিয়ে বরণ করা হয়।