বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান, সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৪ পিএম
সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের সভাপতি এপেক্স সাঈদ আহসান, সম্পাদক সাংবাদিক অপু চৌধুরী

“মিথ্যা নয়, সত্যই হোক আমাদের একতা”—এই শ্লোগানকে সামনে রেখে এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমানের উপদেষ্টা এবং বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় সুপারস্টার চিত্রনায়ক ডি এ তায়েবের অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাবের ২০২৬ সালের জন্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নবগঠিত এ কমিটিতে এপেক্স সাঈদ আহসানকে সভাপতি এবং সাংবাদিক অপু চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।

রোববার (১১ জানুয়ারি) সংগঠনের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি চিত্রনায়ক ডি এ তায়েব স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

কমিটিতে অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন—প্রধান পৃষ্ঠপোষক শরিফুল ইসলাম, প্রধান উপদেষ্টা মোঃ হারুন উর রশিদ, সিনিয়র উপদেষ্টা এম মানিক মিয়া, উপদেষ্টা জাকির খান, হালিম হাসান হীরা, মুনসুর মানিক, অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু, নিশি আলম।

Model Hospital

সিনিয়র সহ-সভাপতি: পিয়াস আফ্রিদি সহ-সভাপতি: এ কে এ সৈকত, শাওন ভূঁইয়া, ডা. মাজিদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক: জাফর হোসেন শিথিল, আব্দুর রহমান, ইয়াকুব আলী সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক: হামিদ মিয়া, কোষাধ্যক্ষ আর এস রহমান, প্রচার সম্পাদক: হিরো মনির, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: ফারহানা পাখি, নারী সম্পাদিকা স্বপ্ন কন্যা সোনালী, আইন ও নীতিমালা সম্পাদক ডি এ আমিন, দপ্তর সম্পাদক আলমগীর হোসেন, আন্তর্জাতিক সম্পাদক আলী আক্কাছ।

কার্যনির্বাহী সদস্য: মোঃ ফরিদ খান, বৈরাগী সুজন, কানিজ ফাতেমা, এনাম চৌধুরী খোকন, বেলাল হোসেন, এস জি ফয়সাল ও রাসেল মিয়া।

সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রতি বছর এক বছরের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় অনুমোদিত এ কমিটি ২০২৬ সালব্যাপী সংগঠনের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালে সুপারস্টার ডি এ তায়েব অফিসিয়াল ফ্যান ক্লাব প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দেশব্যাপী সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে। বিশেষ করে করোনা মহামারি ও বিভিন্ন দুর্যোগকালে সংগঠনটির মানবিক অবদান প্রশংসিত হয়েছে।

নবগঠিত কমিটির সদস্যরা জানান, আগামী দিনগুলোতেও সংগঠনটি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আরও গতিশীল ভূমিকা রাখবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।