রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

শাহরাস্তিতে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে উয়ারুক বাজারে গণসংযোগ, গণমিছিল ও পথসভা

মোঃ মাসুদ রানা প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৫৯ পিএম
শাহরাস্তিতে ধানের শীষের প্রার্থীর পক্ষে উয়ারুক বাজারে গণসংযোগ, গণমিছিল ও পথসভা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর–৫ (হাজীগঞ্জ–শাহরাস্তি) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব লায়ন ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের সমর্থনে শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ও টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নে বিএনপি ও অঙ্গ–সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে দিনব্যাপী গণসংযোগ, বিশাল গণমিছিল ও পথসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত  শুক্রবার  বিকেল ৩টায় টামটা উত্তর ইউনিয়নের ওয়ারুক বাজারে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এর আগে নেতাকর্মীরা টামটা উত্তর ও টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দিনভর গণসংযোগ করেন। পরে ওয়ারুক মেডিল্যাব হাসপাতাল এলাকা থেকে শুরু হয়ে চাঁদপুর–কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের ওয়ারুক স্টেশন বাজার পর্যন্ত গণমিছিলটি অগ্রসর হয়ে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত পথসভায় মিলিত হয়।
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন টামটা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শহীদ উল্লাহ মিয়াজী এবং টামটা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনোয়ার হোসেন আখন্দ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শাহরাস্তি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আয়াত আলী ভূঁইয়া বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে জনকল্যাণভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা ও কর্মমুখী কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। কোনো নাগরিকের ওপর জুলুম, নির্যাতন, হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলা দেওয়া হবে না। তিনি আরও বলেন, বেকারত্ব দূর করতে বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা হবে। সাধারণ মানুষের কল্যাণে রেশন কার্ড, কৃষি কার্ড, হেলথ কার্ড ও আধার কার্ড চালু করা হবে। পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও আউটসোর্সিং খাতে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করা হবে। তিনি নেতাকর্মীদের অপপ্রচার ও গুজব থেকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ রুপম পাটওয়ারী, কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতা ও বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, মেহের কলেজের সাবেক ভিপি ও সহ-সভাপতি শাহ মোঃ আলী, শাহরাস্তি পৌরসভার সাবেক মেয়র মোস্তফা কামাল, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান পাটওয়ারী, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আলী আজগর মিয়াজী, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মতলব উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান শুক্কুর পাটওয়ারী, পর্তুগাল বিএনপি নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতা মাসুদ, ইতালি বিএনপি ও সাবেক ছাত্রনেতা আনোয়ার, অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বিএনপি নেতা ফয়সাল, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ইঞ্জিঃ এবিএম পলাশ, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আজগর হোসেন মিয়াজী, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মাসুদ হোসেন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুব হাসান বাবলু এবং শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ হেলাল উদ্দিন দুলাল।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টামটা উত্তর ইউপি বিএনপি নেতা মমতাজ উদ্দিন, টামটা উত্তর ইউপির সাধারণ সম্পাদক কিরণ মুন্সি, সাবেক সম্পাদক জাকির হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আয়াত আলী বেঙ্গল, যুগ্ম সম্পাদক গোলাম ফারুক সাগর, আলাউদ্দিন হেলাল মুন্সি, বিএনপি নেতা ইকরামুল হাওলাদার রহিম, রবিউল আলম, সৈয়দ আহমেদ দুলাল, যুবদল সভাপতি মোঃ আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
টামটা দক্ষিণ ইউনিয়নে উপস্থিত ছিলেন ইউপি বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ, যুবদলের সভাপতি মমিন শিকদার, সাধারণ সম্পাদক দিদার মজুমদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মাহবুবুর রহমান রাজু, সাধারণ সম্পাদক নবীর হোসেনসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী।

১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:১৬ পিএম
১২৯ বছরের জীবনের অবসান! মতলবের প্রবীণ বারেক বেপারীর বিদায়, বয়স নিয়ে চাঞ্চল্য

দীর্ঘ ১২৯ বছরের জীবনের অবসান। পৃথিবীর আলো-বাতাসে এক শতাব্দীরও বেশি সময় কাটিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার মুদাফর গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তি বারেক বেপারী। স্থানীয়দের দাবি, মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১২৯ বছর। তাঁর দীর্ঘায়ু নিয়ে এলাকায় রয়েছে নানা আলোচনা ও কৌতূহল।

রোববার (২৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীতে মেয়ের বাসায় শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবরে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বারেক বেপারী মতলব উত্তর উপজেলার মোহনপুর ইউনিয়নের মুদাফর গ্রামের মৃত লতিফ বেপারীর ছেলে। মৃত্যুকালে তিনি দুই ছেলে, দুই মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

রোববার বাদ আসর মুদাফর ঈদগাহ মাঠে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে স্থানীয় কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়। জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর দৌহিত্র হাফেজ মো. হাফিজ উদ্দিন।

Model Hospital

১২৯ বছরের জীবন, স্থানীয়দের মুখে দীর্ঘায়ুর গল্প

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, বারেক বেপারী প্রায় ১২৯ বছর বয়স পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তাঁদের দাবি, এত দীর্ঘ জীবন পাওয়ায় তিনি ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তিদের একজন। তবে তাঁর বয়সের পক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ও যাচাইকৃত কোনো নথির তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ১২৯ বছর বয়সের বিষয়টি স্থানীয়দের দাবি হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।

মানবজীবনে শতবর্ষ পেরিয়ে বেঁচে থাকা অত্যন্ত বিরল ঘটনা। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, ফ্রান্সের জ্যাঁ লুইস কালমঁ ১২২ বছর ১৬৪ দিন বেঁচে ছিলেন, যা কোনো মানুষের সর্বোচ্চ যাচাইকৃত আয়ু হিসেবে স্বীকৃত।

বারেক বেপারীর জীবনও স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘায়ুর এক বিস্ময়কর গল্প হয়ে থাকবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময়ের জীবনের অবসান ঘটিয়ে তিনি চলে গেলেন চিরবিদায়ের পথে। রেখে গেলেন অসংখ্য স্মৃতি, স্বজনদের ভালোবাসা আর দীর্ঘ জীবনের নানা গল্প।

দীর্ঘ জীবনের পথচলা থেমে গেল, কিন্তু স্মৃতিতে বেঁচে থাকবেন বারেক বেপারী।

তাঁর মৃত্যুতে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন স্বজন ও এলাকাবাসী। মহান আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে প্রশস্ত করুন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন।