বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পরিত্যক্ত ভবনে বাঁধা হচ্ছে গরু,ছাগল; কচুয়ায় কৃষি উন্নয়ন সেবা কেন্দ্রের বেহাল দশা

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ মার্চ, ২০২২, ১০:৪১ এম
পরিত্যক্ত ভবনে বাঁধা হচ্ছে গরু,ছাগল; কচুয়ায় কৃষি উন্নয়ন সেবা কেন্দ্রের বেহাল দশা

মো: রাছেল : ১৯৬১ থেকে ১৯৬৫ সালের মধ্যে পাকিস্তান আমলে কৃষি বিভাগ কর্তৃক কচুয়ার ১২টি ইউনিয়নে নির্মিত কৃষি উন্নয়ন সেবা কেন্দ্রের বেহাল দশা বিরাজ করছে। প্রায় সব ক’টি কেন্দ্রের ভবন সমূহের ছাদ ও দেওয়াল উভয়ই ধ্বসে পড়ছে। ২/৩ টির ছাদ ও দেওয়াল থাকলে ও এগুলোতে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে। রডে ধরছে মরিচা, দরজা-জানালা ভাংচুর। ভাংচুর এসব দরজা-জানালা ও মরিচা ধরা রড রাতের অন্ধকারে খুলে নিয়ে যাচ্ছে লোকজনরা।একই ভাবে লুটপাট করে নিয়ে যাচ্ছে ধ্বসে পড়া দেওয়ালের ইট ও ভেঙ্গে পড়া ছাদের খন্ডাংশ।

কৃষি অধিদপ্তরের কিছু অর্থ বরাদ্দে ১৯৯৭-১৯৯৮ সালে গোহট উত্তর ইউনিয়নের তালতলি গ্রামে নির্মিত উন্নয়ন সেবা কেন্দ্রে ভবনের পুন: নির্মাণ করা হয়। পুন: নির্মাণকৃত এ কেন্দ্রের ভবনেরও এখন ভগ্নদশা। সম্প্রতি কে বা কারা এ কেন্দ্রের ভবনের দরজা-জানালা ও জানালার রড খুলে নিয়ে যায় রাতের অন্ধকারে । এব্যাপারে কচুয়া উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। সকল কেন্দ্রের সবক’টি ভবন সম্পূর্ন ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। পরিত্যক্ত এসব ভবনে বাঁধা হচ্ছে গরু, ছাগল। সংরক্ষণ করা হচ্ছে জ¦ালানি সামগ্রী পাতা, খড়-কুটা, টুকরা কাঠ ও বস্তা ভরা চাউলের কুড়া ইত্যাদি।

এসব কৃষি উন্নয়ন সেবা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করতে তৎকালীন সময়ের বিত্তশালী ব্যক্তিরা ৫ থেকে ১০ শতাংশ ভূমি ছাফ-কবলা দলিল মুলে দান করেন। বছরের পর বছর কেন্দ্র গুলো ব্যবহার না করায় কেন্দ্র ভবনের চারপাশের জায়গা স্থানীয়রা ভোগ দখল করে নিচ্ছে। কোন কোন কেন্দ্রের দানকৃত সম্পত্তি স্থানীয়রা তাদের নিজ খতিয়ানভুক্ত করে নেওয়ার ও অভিযোগ উঠেছে।

এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সোফায়েল হোসেন উন্নয়ন সেবা কেন্দ্র গুলোর বেহাল দশার সত্যাতা স্বীক্ষার করে বলেন, কয়েকটি কেন্দ্রের জমি দানের দলিল আমার কার্যালয়ে আছে। বাকিগুলো দলিল শিগগিরই সংগ্রহ করে প্রত্যেকটি কেন্দ্রের দান করা সম্পত্তির সীমানা চিহ্নিত করে ঘেরবেড়া দেওয়ার ব্যবস্থা নেয়া হবে। তাছাড়া জরাজীর্ণ ভবন সমূহের পুন: নির্মাণ করার পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করা হবে।

Model Hospital

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।