বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মেয়র পদে লড়তে চান ফরিদগঞ্জে যুবদল নেতা আব্দুল মতিন, আধুনিক ও মডেল পৌরসভা গড়ার প্রত্যয়

এস. এম ইকবাল প্রকাশিত: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:২৪ পিএম
মেয়র পদে লড়তে চান ফরিদগঞ্জে যুবদল নেতা আব্দুল মতিন, আধুনিক ও মডেল পৌরসভা গড়ার প্রত্যয়
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পরপরই চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে সম্ভাব্য স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
এরই মধ্যে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব ও তরুণ সমাজসেবক মো. আব্দুল মতিন।
স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রে জানা যায়, তৃণমূল থেকে উঠে আসা মো. আব্দুল মতিন দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
ছাত্ররাজনীতির মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়। পরবর্তীতে তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে সংগঠনকে শক্তিশালী করতে কাজ করেন। দলের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় থাকার কারণে তিনি একাধিকবার হয়রানির শিকার হন এবং প্রায় ২৫টিরও বেশি রাজনৈতিক মামলার আসামি হয়েছেন বলে জানা গেছে।
রাজনৈতিক অঙ্গনে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, সাংগঠনিক দক্ষতা ও ত্যাগী নেতৃত্বের কারণে তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। ব্যক্তিজীবনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রতি তার দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে। সেই আদর্শকে ধারণ করেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
উপজেলায় বিএনপির রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গ্রুপিং থাকলেও আব্দুল মতিন নিজেকে সব সময় এসব বিভাজনের ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করেছেন। ফলে উপজেলা ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি একজন বিশ্বাসযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
এদিকে তার সম্ভাব্য প্রার্থিতার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ফরিদগঞ্জ পৌরসভার সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে নতুন করে উৎসাহ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
অনেকেই মনে করছেন, তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমে পৌরসভার উন্নয়নে নতুন গতি আসতে পারে।
মো. আব্দুল মতিন বলেন, “পরিকল্পিত উন্নয়ন ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফরিদগঞ্জ পৌরসভাকে একটি আধুনিক ও মডেল পৌরসভা হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। আমি এই জনপদ থেকে সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল করে একটি নিরাপদ ও সুন্দর সমাজ গড়ে তুলতে চাই। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা এবং জনগণের সেবক হিসেবে সব সময় পৌরবাসীর পাশে থাকাই আমার মূল লক্ষ্য।”
তিনি আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে ফরিদগঞ্জ পৌরবাসীর দোয়া ও সার্বিক সমর্থন কামনা করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।