বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

জনপ্রিয় অভিনেতা রানা খানের পিছনে যাদের অবদান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ নভেম্বর, ২০২১, ১২:৪০ পিএম
জনপ্রিয় অভিনেতা রানা খানের পিছনে যাদের অবদান
সাইদ হোসেন অপু চৌধুরী : আজ বলবো টাঙ্গাইল জেলার কৃতি সন্তান, অনুধাবন গল্পের অভিনেতা রানা খানের কথা। যার সাথে বর্তমানে ২’ হাজারের বেশি গল্পে দেশের পরিচিত মুখ কাজ করেছেন। সে স্বপ্ন দেখে এবং সেটি বাস্তবায়নে নিরলসভাবে ঘামঝরানাে পরিশ্রম করে। লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং সঠিক পরিশ্রম করে কঠিনকে জয় করেছেন সহজেই। কথায় আছে ‘পরিশ্রম হলাে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

জনপ্রিয় অভিনেতা রানা সবার কাছে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠার পেছনে যাদের অবদান সবচেয়ে বেশি, যার হাত ধরে মিডিয়াতে পথচলার শুরু  সে হচ্ছে টাঙ্গাইলের স্বনামধন্য পরিচালক,  মরহুম আসাদুজ্জামান। পাশাপাশি মিডিয়াতে রানা খান বর্তমানে যার মাধ্যমে দর্শকপ্রিয় হয়ে উঠেছেন টাঙ্গাইল জেলার আরেক পরিচিত মুখ, স্বনামধন্য পরিচালক ও অভিনেতা মোতালেব হোসেন জয়। এই পরিচালক রানাকে মিডিয়ার জগতে এগিয়ে নেওয়ার ভূমিকা অনস্বীকার্য। এই গুনি পরিচালক রানাকে সর্বোচ্চ চূড়ান্ত পর্যায়ে ও তার নিজ হাতে ভালোমানের অভিনেতা ও সবার কাছে জনপ্রিয় করে তুলছেন।

তিনি রানার সমস্ত শিক্ষা, অভিনয়ের সমস্ত গুণ ও একজন ভালো অভিনেতা হিসেবে তৈরি করতে সাহায্য করেছে। এক কথায় বলা যায় অভিনয়ের গুরু মোতালেব হোসেন জয় রানাকে তৈরি করেছে ও ভালো অবস্থা নিয়ে আসছে এবং ভালো গল্পের মাধ্যমে দর্শকের মন জয় করছেন।

জনপ্রিয় অভিনেতা রানা খানের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় তিনি জানান, মরহুম আসাদুজ্জামান ভাইয়ের হাত ধরে মিডিয়াতে আমার পথচলা শুরু। কিছুদিন আগে তিনি মারা গেছেন। আমি তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করি। আসাদুজ্জামান ভাইয়ের জন্য সবাই দোয়া করবেন, আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করে। আমার আরেক প্রিয় মানুষ, পরিচালক মোতালেব হোসেন জয়, তিনি আমাকে ভালো গল্পের মাধ্যমে দর্শকপ্রিয় হওয়ার পিছনে কাজ করে যাচ্ছেন। তার সাথে আমার সম্পর্ক বাবা ও ছেলে। তার পরিচালনায় গল্পের মাধ্যমে আজকে আমি দর্শকের কাছে এত জনপ্রিয়তা ও পূর্ণতা পেয়েছি। টাঙ্গাইলে যদি কোনো স্বনামধন্য পরিচালক থাকে তা আমার মতে মোতালেব হোসেন জয়। আমার ভালোবাসা তার প্রতি সব সময় থাকবে। আমি তার কাছে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। মহান সৃষ্টিকর্তা তাকে হাজার বছর বাঁচিয়ে রাখুক এবং তাকে সুস্থ রাখে এই প্রার্থনা করছি এবং সবার কাছে তার জন্য দোয়া চাচ্ছি।

Model Hospital

এ ছাড়াও রানা বিশেষ করে ক্যামেরাম্যান সোহাগ আহমেদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন। তারা দুইজন অনেক গল্পে পরিচালক ছাড়াই কাজ করেছেন।
উল্লেখ্য: বর্তমান সময়ে রানা খান শুটিং নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তার চিন্তা মানসম্মত কাজের মাধ্যমে নিজেকে আলোকিত করে তোলা। ধীরে ধীরে স্বপ্নে এগিয়ে যাবে অনেক দূর, এ ব্যাপারে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তাঁর বেশকিছু কাজ ইতিমধ্যে অভাবনীয় জনপ্রিয়তা পেয়েছে। আগামীতেও মানসম্মত ভালাে কাজের মাধ্যমে মিডিয়া পাড়ায় স্থান করে নিতে চান তিনি। এজন্যে তিনি ভবিষ্যত পথচলায় সবার সহযােগিতা ও দোয়া কামনা করেছেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital