সাংবাদিক আহসান উল্লাহর কাছে টাকা দাবি, না পেয়ে দেখে নেয়ার হুমকি
চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের বার্তা সম্পাদক মাওলানা এএইচএম আহসান উল্লাহকে আজকে ‘Borhan Hossain’ নামে একটা আইডি থেকে মেসেঞ্জারে প্রথমে হেল্প চেয়ে টাকা চেয়েছে।

আহসান উল্লাহ তাকে টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে পরক্ষণেই সে ভয়েজ রেকর্ড পাঠিয়ে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে দেখে নেয়ার হুমকি দেয়। সে হুমকি দিয়ে বলে ‘তোকে, তোর পরিবারকে দেখে নিবো। তোর অনেক ছবি ডাউনলোড করেছি। তোর নামে ফেইক আইডি খুলে এসব ছবি দিয়ে তোকে দেখে নিবো’। আমার মেসেঞ্জারে আমার দুইটা প্রোফাইল পিকচার এবং একটা অস্ত্রের ছবি দিয়ে আবার ভয়েজ রেকর্ড পাঠিয়ে হুমকি দেয়- ‘আধা ঘণ্টার মধ্যে তোর বাসায় ডিবি পুলিশ পাঠাচ্ছি। তুই যে অস্ত্রের ব্যবসা করছ।’

সাংবাদিক আহসান উল্লাহ বলেন, তিনি এই প্রতারককে অনেক আগে থেকেই মুখচেনা চিনতেন এবং সে আহসান উল্লাহর ফেসবুক ফ্রেন্ড লিস্টেও আছে।

আজকে বিকেল ৩টা ৫৭ মিনিটে সে আহসান উল্লাহর মেসেঞ্জারে প্রথমে এই বলে মেসেজ পাঠায়- ‘আমি দুবাই থেকে আসবো। কিছু গোল্ড বিক্রি করবো’। পরে আবার মেসেজ পাঠায়- ‘আপনি কি ঢাকা? একটু হেল্প লাগবে।’ একটা বিকাশ নাম্বার দিয়ে লিখে- ‘আমি ঢাকা এয়ারপোর্টে আছি। গোল্ড বেশি হওয়ায় টেকস বেশি আসছে। আমার কাছে ৫০০০ টাকা আছে, আরো ৩০০০ টাকা লাগবে’।

আহসান উল্লাহ বলেন, তার মেসেজের কোনো সাড়া না পেয়ে সে আবার মেসেজ পাঠায়- ‘আপনার বিকাশ নাম্বার দিন। আমি এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়েই পাঠিয়ে দিবো’। তখন আমি বিরক্ত হয়ে তাকে ধমক দিয়ে লিখি- ‘তোমাকে কীসের টাকা দিবো?’। এরপরই সে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে আমার মেসেঞ্জারে ভয়েজ রেকর্ড পাঠায়। আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের দেখে নেয়ার হুমকি দেয়।
এ ঘটনায় সাংবাদিক আহসান উল্লাহ আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন বলে জানান।








