বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩

কচুয়ায় প্রবাসীর ৩৫ লাখ টাকার স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৯:১১ পিএম
কচুয়ায় প্রবাসীর ৩৫ লাখ টাকার স্বর্ণ আত্মসাতের ঘটনায় এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও সমাবেশ

মানববন্ধন একাংশ ও অভিযুক্ত ৪ জন।

কচুয়ার পালাখাল মডেল ইউনিয়নের সফিবাদ গ্রামে প্রবাসীর স্বর্ণ আত্মসাতের  ঘটনায় মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ওই ইউনিয়নের পালাখাল -সিংআড্ডা সড়কের সফিবাদ বাজার এলাকায় প্রবাসীর স্বর্ণ  আত্মসাৎ এর ঘটনায় স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহনে  মানববন্ধন ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধন শেষে সমাবেশের বক্তব্য রাখেন  সফিবাদ গ্রামের বাসিন্দা মিজানুর রহমান,সাহেদুল ইসলাম হেলাল, মোস্তফা কামাল মুন্সী, জামাল হোসেন মোল্লা  ও মুক্তা বেগম।

বক্তাগণ বলেন,  মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর  কচুয়ার চার হাজী  সামছুল হক,আ: হক, বিবি আয়েশা ও নুরজাহানের মাধ্যমে ৪ শত গ্রাম স্বর্ণ বাংলাদেশে পাঠায়।

চার হাজী বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন অতিক্রম করলে সফিবাদ গ্রামের সিন্ডিকেট চক্রের সদস্য জানেবুল হাসান মানিক, মামুন, রুবেল মিয়া ও কাউছার চার জন মিলে মিজানুর রহমানের স্বর্ণ আত্মসাৎ করে। প্রবাস থেকে ফেরত এসে মিজানুর রহমান স্বর্ণ উদ্ধারের জন্য  প্রথমে বিমানবন্দর থানায় পরে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে।

স্বর্ণ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায়  কয়েক দফা গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে শালীস বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ২২ মার্চ সালিশ  বৈঠকে  মানিকগং ৩৫  লক্ষ টাকা মিজানুর রহমানকে দিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী  লিখিত স্ট্যাম্পে  গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে জানেবুল হাসান মানিকগং ৩৫ লক্ষ টাকার মধ্যে ২ লক্ষ ১০ হাজার টাকা    নগদ প্রদান করেন। বাকি টাকা কিছুদিনের মধ্যে দিয়া দিবার  কথা থাকলেও সালিশ বৈঠকের পরে টাকা নিয়ে টালবাহানা শুরু করে। অধিকন্ত টাকা চাইতে গেলে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে বলে সাংবাদিকদের জানান।

Model Hospital

স্থানীয়রা জানান, জানেবুল হাসান মানিক ও কাউছার মানুষের অর্থ আত্মসাৎ করে গ্রামে সরকারি জায়গা দখল করে অত্যাধুনিক ডুপ্লেক্স ভবন তৈরি করে এবং অনেক সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। এলাকার মানুষের কাছ থেকে বিদেশে লোক নিবার কথা বলে  বহু লোকের টাকা আত্মসাৎ করেছে। স্থানীয়রা আরো জানান  জানেবুল হাসান মানিক  আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে  তৎকালীন এক জনপ্রতিনিধির অস্ত্র ব্যবহার করে সাধারণ জনগণকে হুমকি প্রদর্শন করে  জনগণের কাছ থেকে বিপুল অংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।  জানেবুল হাসান মানিকসহ সিন্ডিকেট চক্রের ৪ সদস্যের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী  জানান।

এ ব্যাপারে জানেবুল হাসান মানিকের মুঠোফোনে ( 01883832713) চেষ্টা করেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
হাজীগঞ্জে থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে এসিল্যান্ড ওমর সানি আখন

মানবতা মানে শুধু সহমর্মিতার কথা বলা নয়, বরং বিপদের মুহূর্তে মানুষের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষের একটু ভালোবাসা, সামান্য সহযোগিতা কিংবা এক ব্যাগ রক্তও হয়ে উঠতে পারে অন্য একজনের বেঁচে থাকার আশার আলো। সেই মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওমর সানি আখন।

একজন এ পজিটিভ (A+) রক্তের প্রয়োজন থাকা থ্যালাসেমিয়া রোগীর পাশে দাঁড়িয়ে রক্তদান করেছেন তিনি। তাঁর এই উদ্যোগ আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, মানুষের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে রয়েছে মানবতা, আর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের প্রতি ভালোবাসাও একজন মানুষকে মহৎ করে তোলে।

থ্যালাসেমিয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি রক্তজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত অনেক রোগীকেই নিয়মিত রক্ত গ্রহণ করতে হয়। ফলে তাঁদের জন্য প্রয়োজনীয় সময়ে নিরাপদ রক্তের ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একজন রোগীর প্রয়োজনে এগিয়ে এসে রক্তদান করে মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন ওমর সানি আখন।

একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানুষের প্রয়োজনে তাঁর এই সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তাঁর এ উদ্যোগ অন্যদেরও স্বেচ্ছায় রক্তদানে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়।

Model Hospital

রক্তদান শুধু একজন রোগীকে সহযোগিতা করা নয়; কখনো কখনো এটি একটি পরিবারের মুখে স্বস্তির হাসি ফিরিয়ে আনে, প্রিয়জনকে ঘিরে নতুন করে আশার আলো জ্বালায়।

মানবিকতার এই গল্প ছড়িয়ে পড়ুক সবার মাঝে। সমাজের সামর্থ্যবান ও সচেতন মানুষ এগিয়ে এলে রক্তের অভাবে কোনো রোগীকে যেন অসহায় হয়ে পড়তে না হয়।