মতলব উত্তরে রায়েরকান্দিতে বাড়ি ঘরে হামলা ও লুটপাটের অভিযোগ
মতলব উত্তর ব্যুরো : মতলব উত্তর উপজেলার বাগানবাড়ি ইউনিয়নের রায়েরকান্দি গ্রামে বসতঘরে হামলা ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন।

এ ঘটনায় মৃত আবু তালেব পাটোয়ারীর ছেলে মো. মজনু পাটোয়ারী (৮০) বাদী হয়ে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মতলব উত্তর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, নজরুল ইসলামের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪০) খলিল ছৈয়ালের ছেলে অলু ছৈয়াল, মমিন ছৈয়ালের ছেলে ইকরাম ছৈয়াল, শামছু ছৈয়ালের ছেলে জাহাঙ্গীর ছৈয়াল’সহ অভিযোগে উল্লেখিত ১৪ জন বিবাদীরা বাদীর একই সমাজের লোক হয়।

সামাজিক বিভিন্ন বিষয়ে বিবাদীদের সাথে বিরোধ হইলে, উক্ত বিরোধের জের ধরে অপমান অপধস্ত করিতে থাকার এক পর্যায় এলোপাথারী কিলঘুষি মেরে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলাফুলা জখম করে। সকল বিবাদীরা খুন খারাবী করার জন্য লাঠি, সোটা, রড, সাবল ইত্যাদি দেশিয় অস্ত্র সস্ত্রে সজ্জিত হইতে থাকিলে, প্রানের ভয়ে দ্রুত চলিয়া আমাদের বসত ঘরে প্রবেশ করি। সকল বিবাদীরা বিবাদীরা’সহ তাদের সহযোগী অজ্ঞাত নামা ১০/১২ জনকে সাথে নিয়া বে-আইনী জনতাবদ্ধে অনধিকারে আমার বসত বাড়ীতে হামলা দেয়। সকল বিবাদীরা আমাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করে এবং আমার বসত বাড়ীর টিনের বাউন্ডারীর বেড়া এলোপাথারী পিটাইয়া, কোপাইয়া এবং আমার বিল্ডিং এর থাই গ্লাস ভাংচুর করে ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে।

পরিবারের লোকজনের উপর এলোপাথারী কাঠের লাঠি ও লোহার রডদ্বারা পিটাইয়া শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফুলা জখম করে। রিয়াদ হোসেনকে হত্যার উদ্দেশ্যে লোহার রডদ্বারা বারি মারিলে, উক্ত বারি তার ডান হাতদ্বারা প্রতিহত করিলে, ডান হাতে জখম প্রাপ্ত হয়। এলোপাথারী পিটাইয়া আমার শরীরের বিভিন্নস্থানে নিলা ফুলা জখম করিয়া মাটিতে ফেলে দিলে, আমাকে রক্ষা করিতে তাদেরও এলোপাথারী পিটাইয়া চোখের কোঠায়, হাতে, পিঠে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফুলা জখম করে।
আছমা বেগমকে টানা হেছড়া করিয়া শ্লীলতাহানী ঘটায়, গলায় থাকা আট আনা ওজনের স্বর্ণের চেইন নিয়ে যায়। বসত ঘরের সকল আসবাব পত্র ভাংচুর করিয়া প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। স্টীল আলমারী ভেঙ্গে প্রায় ১২ ভরি স্বর্ণালংকার যাহার মূল্য ৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা নিয়া যায়।
জীবন রক্ষার্থে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন করিলে থানা পুলিশের সহায়তায় আমার বিবাদীদের কবল হইতে প্রাণে রক্ষা পায়।
অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর ছৈয়াল জানান, মারামারি ও ভাংচুরের ঘটনা সত্য না। মসজিদের জমি নিয়ে কথা কাটাকাটি হলেও মারামারির কোন ঘটনা ঘটেনি।
মতলব উত্তর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শাহজাহান কামাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।








