বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ছেংগারচর পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বে সহকারি কমিশনার ভূমি

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২, ৬:০৩ পিএম
ছেংগারচর পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বে সহকারি কমিশনার ভূমি

মনিরুল ইসলাম মনির : মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার প্রশাসক নিয়োগ পেলেন সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ। বুধবার বিকেলে স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর শাখা-১ এর প্রজ্ঞাপনে উপ সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন সাক্ষরিত চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ এর দ্বারা ৮ এর সংশোধনক্রমে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) আইন ২০২২ এর ধারা অনুযায়ী চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌর পরিষদের মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় উক্ত পৌর পরিষদ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন ২০০৯ এর সংশোধনে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) (সংশোধন) আইন ২০২২ এর ধারা অনুযায়ী সরকার পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, স্থানীয় সরকার পরিষদ আইন ২০০৯ ও সংশ্লিষ্ট বিধিবিধান অনুযায়ী নিয়োগকৃত পৌরসভার সার্বিক দায়িত্ব ও কর্মকান্ড পালন করিবেন।

উল্লেখ্য যে, ছেংগারচর পৌরসভা ২০২১ সালের ২০জুন ছেংগারচর পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র রফিকুল আলম জজ এর দায়িত্বের ৫ বছর পূর্ণ হয়। ৫ বছর পর সীমানা জটিলতা নিয়ে কয়েকটি মামলা হয়েছিল। মামলা জটিলতায় নির্ধারিত সময়ে ভোট হয়নি। সম্প্রতি স্থানীয় সরকার বিভাগের সিদ্ধান্ত মতে এ পৌরসভায় প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলো।

Model Hospital

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সরকার বিভাগ কর্তৃক এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ১৯৯৮ সালের ৫ এপ্রিল ছেংগারচর পৌরসভা হিসেবে যাত্রা শুরু করে। এ পৌরসভার প্রথম পৌর প্রশাসক নিযুক্ত হন মতলব উত্তর উপজেলার তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তৎকালীন মতলব উপজেলাধীন ছেংগারচর ইউনিয়নের সম্পূর্ণ অংশ নিয়েই ছেংগারচর পৌরসভার প্রশাসনিক এলাকা বিস্তৃত।

২০১১ সালের ৭ আগস্ট এ পৌরসভাটি ‘গ’ শ্রেণী থেকে ‘খ’ শ্রেণীতে উন্নীত হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় বিভাগ কর্তৃক ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারী অপর এক প্রজ্ঞাপনে এ পৌরসভা কে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নীত করা হয়। ছেংগারচর পৌরসভার আয়তন ৩৫.৩৫ বর্গ কিলোমিটার (৮,৭৩৪ একর)।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।