বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে বৃদ্ধা বাবা-মাকে মারধর করে রক্তাক্ত করলো ছেলে

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২২, ৩:৩৯ পিএম
ফরিদগঞ্জে বৃদ্ধা বাবা-মাকে মারধর করে রক্তাক্ত করলো ছেলে

এস এম ইকবাল : ফরিদগঞ্জে বৃদ্ধা মা- বাবাকে মারধর করে রক্তাক্ত করলো ছেলে এমন অভিযোগ করেছেন মা নাসিমা বেগম। এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ছেলের হাতে নির্যাতিত বৃদ্ধা মা নাসিমা বেগম (৬০) গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চির্কা চাঁদপুর গ্রামের মিজি বাড়ির (জগার বাড়ি) ইউনুস মিজির স্ত্রী।

২৯ এপ্রিল শনিবার রাত উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চির্কা চাঁদপুর গ্রামের মিজি বাড়ি (জগার বাড়িতে) এ ঘটনা ঘটে।

জানাযায়, শনিবার রাত ৯ টার সময় ছেলে ইকবাল বাজার থেকে এসে মামাদের বিষয় নিয়ে তার মায়ের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে মামাদেরকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করলে মা নাসিমা বেগম ভাইদের অপমানের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। পরে ছেলে ও তার স্ত্রী মিলে তর্কে জড়িয়ে পড়ার এক পর্যায়ে ছেলে ও তার স্ত্রী মিলে বৃদ্ধা বাবা- মাকে বেদম মারধর করে। পরে প্রতিবেশীরা বৃদ্ধা বাবা মাকে রক্তাক্ত অবস্থা ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।

এ ব্যাপারে মামা মোখলেছুর রহমান জানান, আমার বোন নাসিমা বেগমকে প্রায় মারধর করে এর আগে ও তার বোন কে মারধর করার অভিযোগে স্থানীয় চেয়ারম্যান ইতি পূর্বে কয়েকবার বিচার সালীশ করলেও কোন কাজে আসেনি। ইকবাল আরও বেপরোয়া হয়ে পড়ে এবং হুমকি দিয়ে বলে তোরা আমাকে কিছুই করতে পারবিনা।

Model Hospital

ইকবালের বাবা ইউনুস মিজি জানান, আমার ছেলে প্রায় আমাদের কে মারধর করে। গত কাল আমার স্ত্রীকেও মারধর করে রক্তাক্ত করলে আমি বাধা দিলে আমাকে ধাক্কা দিয়ে ঘর থেকে ফেলে দেয়। আমি এমন ছেলের দৃষ্টান্ত মুলক বিচার চাই। যাতে করে সন্তানের হাতে কোন মা-বাবাকে হামলার স্বীকার না হতে হয়।

স্থানীয়রা জানান, এই ইকবালের ইতি পূর্বে কয়েকবার তার বাবা-মাকে মারধর করেছে। এখন আর কাওকে তোয়াক্কা করে না। ইকবালের স্ত্রীর কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে বাবা মাকে মারধর করে।

মা-বাবাকে মারধর করার কারন জানতে চাইলে ইকবাল জানান, মা-বাবা এবং আমার মেজ ভাই আমাকে মেরেছে আমি চাঁদপুর সরকারী হাসপাতালে রয়েছি। আমি আমার মা-বাবাকে কখোনো মারধর করিনি।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনাচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, মা-বাবাকে মারধরের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital