বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে দুই সহোদরের দাফন সম্পন্ন; এলাকায় শোকের ছায়া

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মে, ২০২২, ৬:১৯ পিএম
ফরিদগঞ্জে দুই সহোদরের দাফন সম্পন্ন; এলাকায় শোকের ছায়া

এস এম ইকবাল : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আকস্মিক মৃত্যুর শিকার দুই সহোদর রুবেল ও সোহেল এর আজ বাদ এশা নামাজে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ইমামের দায়িত্ব পালন করেন হোজাইফা আহমেদ সিদ্দিকী, জৈনপুরী ভারত।

মৃত দুই সহোদরের বাড়ি ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকার কাছিয়াড়া গ্রামে ও ওয়াপদা অফিসের দক্ষিণ পাশে। তাদের বাবার নাম মৃত বিল্লাল হোসেন।

স্থানীয় ওয়াপদা মাঠে নামাজে জানাজা অনুষ্ঠানে দূর দূরান্ত থেকে ছুটে আসা হাজারও মানুষ অংশ গ্রহণ করেন। দুই ভাইয়ের আকস্মিক মৃত্যুতে জানাজ অনুষ্ঠানে আগত মানুষ শোকে মুহ্যমান হন। জানাজায় সর্বস্তরের মানুষ অংশ গ্রহণ করেন।

এতে, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত থেকে ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন, সাবেক পৌর মেয়র মঞ্জিল হোসেন ও মাহফুজুল হক, জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য মো. মশিউর রহমান মিটু, কাউন্সিলর জাকির হোসেন গাজী প্রমুখ দুই সহোদরের রূহের মাগফিরাত কামনা ও শোক সন্তপ্ত পরিবার সদস্যদের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করেন। এছাড়া, জানাজা অনুষ্ঠানে সময় টিভি ও কালের কন্ঠ পত্রিকায় চাঁদপুর জেলা থেকে কর্মরত স্টাফ রিপোর্টার ফারুক আহম্মদ উপস্থিত ছিলেন।

Model Hospital

উল্লেখ্য, এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, বৃষ্টি থেমে যাওয়ার পর সকাল আনুমানিক আট ঘটিকায় রুবেল হোসেন (২৮) বাড়ির পুকুরপাড়ে উজানের কৈই মাছ খুঁজতে যান। দুই ঘণ্টা পরও রুবেল ঘরে ফিরে না যাওয়ায় ছোট ভাই সোহেল রানা (২৬) খুঁজতে বের হয়ে পুকুর পাড়ে রুবেল হোসেনের মৃত দেহ পড়ে থাকতে দেখে সোহেল রানা চিৎকার শুরু করেন।

এ সময়ে তিনি নিস্তব্ধ হয়ে পাশে পড়ে যান। চিৎকার শুনে বাড়ির ও আশপাশের লোকজন ছুটে গিয়ে দউি ভাইয়ের দেহ ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডাক্তার মোজাম্মেল হেসেন বলেন, হাসপাতালে নেয়ার আগেই দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, হয়তো হৃদযন্তের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তাদের মৃত্যু হতে পারে।

সূত্র জানিয়েছে, শিশু বেলায় তাদের বাবা মৃত্যুবরণ করেন। বিধাব মা দুঃখকষ্ট সঙ্গী করে সন্তানদের লালনপালন ও কর্মক্ষেত্রে পবেশ করান। সন্তানদের এমন মৃত্যু সইতে না পেরে তিনি ও ছোট ছেলে আরিফ (১৮) বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।

এদিকে, দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, দুটি মৃতদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। কি কারণে রুবেলের মৃত্যু হয়েছে তা জানার জন্য তার মৃতদেহ পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠানো হয়েছে এবং সোহেলের লাশ পরিবারের লোকজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, মৃত দুজনের শরীরের কোথাও জখম কিংবা আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে, মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে রুবেল হোসেনের মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।