শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

কচুয়ায় পলিটেকনিনে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত-১০; পুলিশ মোতায়েন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০২২, ৬:৫২ পিএম
কচুয়ায় পলিটেকনিনে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত-১০; পুলিশ মোতায়েন

মোঃ রাছেল : চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (কচুয়া) ছাত্রলীগের কমিটি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে কচুয়া উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানসহ উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।

আহতরা হচ্ছেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলম (৩২), ছাত্রলীগ নেতা মো. তুহিন (২৩), যুবলীগ কর্মী গাজী রবিউল আউয়াল (২২), চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগ নেতা শেখ সজিব (২০), নূর মোহাম্মদ (২৩), শাওন (১৮) মো. মহিউদ্দিন (১৮), মেহেদী হাসান (১৮), শাহাদাত হোসেন (২০)। আহতরা কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহতদের মধ্যে তুহিন ও রবিউলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।

আহত ছাত্রলীগ কর্মী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের একাংশের নেতা মো. তুহিন ও শাকিলের নেতৃত্বে একটি মিছিল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকে কচুয়া বিশ্বরোড এলাকায় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের অফিসের সামনে এসে উশৃংখল বক্তব্য দিলে উক্ত স্থানে পূর্বে থেকে অবস্থান নেওয়ার চাঁদপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ছাত্রলীগের অপর গ্রুপের সাথে বাগবিতান্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়।

খবর পেয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। পরে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (কচুয়া সার্কেল) মো. আবুল কালাম চৌধুরী ও কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোতাছেম বিল্যাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

Model Hospital

সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ নেতা তুহিন দাবি করেন, আমাদের মিছিলটি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের অফিসের সামনে আসলে ভাইস চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে মিছিলের উপর হামলা করা হয়।

ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষ গ্রুপের নেতা শেখ সজিব ও পৌর ছাত্রলীগ নেতা ফাহিম দাবি করেন, কথিত ছাত্রলীগের একটি মিছিল থেকে কচুয়ার সিনিয়র নেতাদের নামে উশৃংখল বক্তব্য প্রদান করে এবং ঘটনার স্থলে অবস্থান নেওয়া আমাদের ছাত্রলীগ কর্মীদের উপর হামলা করে।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহবুব আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদকর্মীদের বলেন, ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করি। তাদেরকে নিভৃত করার সময় আমিও হাতে ব্যথা পাই।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন বলেন, চাঁদপুর পলিটেকনিক ছাত্রলীগের কমিটি সংক্রান্ত বিষয়ে ছাত্রলীগের দু’প্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি। আইন-শৃংখলা রক্ষার্থে ঘটনাস্থলে অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। অভিযোগপ্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে কচুয়া বিশ^রোড এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital