বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

এই টুর্নামেন্টে জাতীয় পর্যায়ে মানসম্মত খেলোয়াড় যোগান দেওয়া যাবে; হুমায়ন রশিদ

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মে, ২০২২, ৬:৫৩ এম
এই টুর্নামেন্টে জাতীয় পর্যায়ে মানসম্মত খেলোয়াড় যোগান দেওয়া যাবে; হুমায়ন রশিদ
মোঃ মাসুদ রানা : চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান  ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক – বালিকা ( অনূর্ধ্ব ১৭) ২০২২ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে পরিষদ মিলনায়তনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।  বৃহস্পতিবার উপজেলা নির্বাহি অফিসার ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ হুমায়ন রশিদের সভাপ্রদানে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারী অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে এ সভা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। আয়োজিত সভায় নির্বাহি অফিসার বক্তব্যে বলেন, বৈশ্বিক প্রাণঘাতী কোভিড মহামারীর আগ্রাসনে গত দুই বছর ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান কার্যক্রম ও ক্রীড়াশৈলী আয়োজন কিছুটা সংকোচিত ছিল।
বর্তমানে মহামারীর আগ্রাসন ভাটাপড়ায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান কার্যক্রম সচল ও মাঠে ক্রীড়াশৈলীর আয়োজন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। ওই হিসেবে চলমান বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা অনূর্ধ্ব ১৭-  বালক-বালিকা গোল্ডকাপ এ আয়োজন করা হয়েছে। এতে দীর্ঘদিন ঘরবন্ধী স্কুলপড়ুয়া কিশোর কিশোরীদের শারীরিক মানসিক নান্দনিক বিকাশের জন্য , সহিষ্ণু মনোভাব তৈরি করে  খেলাধুলায়  এবং ক্রীড়া  চর্চায় উৎসাহী ও উদ্বুদ্ধকরণে এ প্রয়াস। এতে কিশোর কিশোরীরা, কিশোর গ্যাং, মাদকাসক্তি, জঙ্গিবাদ, মুঠোফোন আসত্তি সহ সকল অসামাজিক কর্মকান্ডে যেন নিজেকে বিরত রাখে সে লক্ষ্যে সরকারের  যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হয়েছে। এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের ফলে মফস্বল শহরে সুপ্ত অবস্থায় লুকিয়ে থাকা অজানা ক্রীড়া নৈপুণ্যের অধিকারী খেলোয়াড়দের  প্রতিভা বিকশিত হবে।
এতে স্থানীয় জেলা এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অংশগ্রহণ করার মত যোগ্য খেলোয়ার এখান থেকে তৈরি সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাসরিন জাহান চৌধুরী শেফালী, পৌর মেয়র হাজী আব্দুল লতিফ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আমজাদ হোসেন, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন্নাহার কাজল, উপজেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল মজুমদার, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আহসান উল্লাহ চৌধুরী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ লুৎফুর রহমান ভূঁইয়া, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ মমিনুল হক বকাউল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল আউয়াল খন্দকার,  উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ আক্তার হোসেন সহ বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের (জনপ্রতিনিধি)  চেয়ারম্যান, জোবায়েদুল কবির বাহাদুর, মোঃ ওমর ফারুক  দর্জি, মোহাম্মদ জহিরুল আলম মানিক ভূঁইয়া, মোঃ মোশারফ হোসেন, ইঞ্জি: আলম বেলাল, ডাক্তার মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ মাহাতাব উদ্দিন হেলাল মোঃ রুহুল আমিন। উল্লেখ্য, আয়োজিত সভায় আসন্ন ১৫ মে হতে এই টুর্নামেন্ট সফল ও সুন্দরভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে সকলেই আন্তরিকভাবে সহযোগিতার মনোভাব পোষণ করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital