বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেরীবাঁধে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০২২, ১:৩৬ পিএম
মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বেরীবাঁধে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান

মনিরুল ইসলাম মনির : চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, সেচখাল ও নদী তীর প্রতিরক্ষা কাজ সংলগ্ন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মালিকানাধীন ৬৫ কিলোমিটার এলাকা হতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় উদমদী পাম্প হাউজ সংলগ্ন এলাকা থেকে মেঘনা ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এমএ কুদ্দুস, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী শরীফুল হাসান ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হেদায়েত উল্যাহ, মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্পের পানি ব্যবস্থাপনা ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সরকার মো. আলাউদ্দিন উপস্থিত থেকে অর্ধ শতাধিক শ্রমিকসহ উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

উচ্ছেদ পরিচালনার সময় অনেকেই তাদের স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি। আবার অনেকে উচ্ছেদ কার্যক্রম দেখে দ্রুত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালপত্র সরিয়ে নিতে দেখা যায়।

Model Hospital

পানি উন্নয়ন বোর্ড চাঁদপুরের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ওয়াহিদুর রহমান ভুঁইয়া জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধের পাশে ১২৫ জন বালু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। তাদের প্রত্যেককে নোটিশ করা হয়েছে। কিন্তু তারা ব্যবসা বন্ধ করেনি। যে কারেণে তাদের ব্যবসা কেন্দ্রে আজকে লাল পতাকা টানিয়ে ব্যবসা পরিচালনা নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়।

নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, সেচ প্রকল্পের ৬০ কিলোমিটার বাঁধের ৫ কিলোমিটার করে প্রতিদিন উচ্ছেদ কার্যক্রম চলবে। ভেক্যু দিয়ে অবৈধ স্থাপনাগুলো গুড়িয়ে দেয়া হয়। উচ্ছেদের পূর্বে অবৈধ দখলে থাকা ২ হাজার ৩শ’ ৫০ জনকে নোটিশ ও স্থাপনা সরিয়ে নেয়ার জন্য মাইকিং করা হয়। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল করে বালু ব্যবসা পরিচালনকারী ১শ’ ২৫ জনকে নোটিশ করা হয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, অভিযানের প্রথমদিনে ৫ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করা হয়। এতে প্রায় ৫০ কোটি টাকার সম্পদ অর্জন করতে পেরেছি।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. হেদায়েত উল্যাহ বলেন, সকাল ১০ টা থেকে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাধে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছি। সকল মহল থেকে যথাযথ সাড়া পাচ্ছি। আমাদের উচ্চেদ অভিযানে আমরা কাঙ্খিত লক্ষমাত্রা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। আগামীদিনেও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

উচ্ছেদ অভিযানে মতলব উত্তর থানা পুলিশের কর্মকর্তা, পুলিশ সদস্য, সেচ প্রকল্প এলাকার পানি ফেডারেশনের নেতৃবৃন্দ সার্বিক সহযোগিতা করেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।