বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের টেকনিক্যাল শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ জুন, ২০২২, ২:৩৩ পিএম
শিক্ষার্থীদের টেকনিক্যাল শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল

মোজাম্মেল প্রধানন হাসিব : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বলেছেন, শিক্ষার্থীদের টেকনিক্যাল শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। বর্তমান সরকার কারিগরি শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করেছেন। আমাদের সন্তানদের কর্মমুখী করে জনশক্তিতে রূপান্তর করার জন্য টেকনিক্যাল শিক্ষার বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় নারীর ক্ষমতায়নের পথ সুগম হয়েছে। যার কারণে আজ নারী নেতৃত্ব বিশ্ব দরবারে প্রশংসিত। নারীরা হয়েছে স্বাবলম্বী, বেড়েছে তাদের কর্মসংস্থান।

মন্ত্রী আরও বলেন, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সংযোগ থাকবে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সাথে। শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের কাছে মডেল হতে হবে। যাতে শিক্ষকের মাধ্যমে একজন শিক্ষার্থী উন্নত স্বপ্নদর্শণে উদ্বুদ্ধ হতে পারে। আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৩ বছরে প্রতিটি বিদ্যালয়ের ছাত্রী সংখ্যা বেড়েছে। আজ জনশক্তি রপ্তানি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সফল বাংলাদেশ।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও শিক্ষাসহ সকল দিক আমাদের জন্য অনুসরণীয়। তিনি আমাদের আদর্শ পুরুষ ও ধ্রুবতারা। বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের পথিকৃৎ।

শুক্রবার (৩ জুন) দুপুরে চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার কাশীমপুর পূরণ উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

Model Hospital

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চাঁদপুর-২ আসনের সাংসদ আলহাজ্ব এডভোকেট নুরুল আমিন রুহুল এমপি বলেছেন, আমি নির্বাচনের আগে আপনাদের কাছে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। আমি এমপি নির্বাচিত হলে কোনো চাঁদাবাজি, ইয়াবা ব্যবসায়ী থাকবে না। আপনারা বিগতদিনে দেখেছেন, আমি কোন চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের কোনো সুযোগ সুবিধা দেইনি। আগে যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করেছে তাদের কেনো জায়গা আমার কাছে নেই।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি বিল্লাল হোসেন প্রধানের সভাপতিত্বে ও সহকারী শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিএইচএম কবির আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত হোসেন প্রধান, এএসপি (মতলব সার্কেল) ইয়াসির আরাফাত, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মুবিন সুজন প্রমুখ। পরে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:২১ পিএম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সুলতান কাজী
মতলব দক্ষিণ উপজেলার মাছুয়াখাল জমাদার বাড়িতে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ অগ্নিকান্ডস্থল পরিদর্শন করেছেন ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় তিনি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ভুক্তভোগীদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ প্রদান করেন। এসময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
খাদেরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. সুলতান কাজী বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদেরও সমন্বয় করা উচিত। যে কোনো দুর্যোগে খাদেরগাঁও ইউনিয়নবাসীর পাশে থাকার জন্য আমি প্রস্তুত আছি।
পরিদর্শনকালে জেলা বিএনপির সদস্য ও মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত হোসেন সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ  পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।