শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩

চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুন, ২০২২, ৩:৪০ পিএম
চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

চতুর্থ বর্ষে পদার্পণ করছে প্রগতিশীল প্রতিষ্ঠান চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। ১০ জুন শুক্রবার বিকেলে চাঁদপুরের পালপাড়াস্থ চর্যাপদ একাডেমির নিজস্ব কার্যালয়ে ঘটা করে পালন করা হয় তৃতীয় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী, চাঁদপুর জেলা সংসদের সাবেক সভাপতি, কবি ও বাচিকশিল্পী অধ্যাপক দুলাল চন্দ্র দাস। তিনি বলেন, বাংলা ভাষার আদি নির্দশন চর্যাপদ। চর্যাপদের নামে একটি সাহিত্য সংগঠন আমাদের চাঁদপুরের মাটিতে জন্ম হয়েছে জেনে খুব আনন্দ লাগছে। এই সংগঠনের প্রতিটি কর্মসূচি আমার ভালো লাগে। বাংলা সাহিত্যের হাজার বছরের ঐতিহ্যকে লালন করে বহুদূর এগিয়ে যাবে চর্যাপদ একাডেমি আজকের দিনে এই কামনা করছি।

চর্যাপদ একাডেমির সভাপতি নুরুন্নাহার মুন্নির সভাপতিত্বে ও সহযোগী পরিচালক জয়ন্তী ভৌমিকের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপমহাপরিচালক দুখাই মুহাম্মাদ। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি আয়শা আক্তার রুপা, নিয়ন্ত্রণ পরিষদ চেয়ারম্যান আসাদুল্লা কাহাফ, মহাপরিচালক রফিকুজ্জামান রণি, পরিচালক শিউলী মজুমদার ও খোরশেদ আলম বিপ্লব, পর্যবেক্ষক ও ন্যায়পাল দিলীপ ঘোষ, সহকারী পরিচালক ফেরারী প্রিন্স, নির্বাহী পরিচালক আইরিন সুলতানা লিমা, উপ-নির্বাহী পরিচালক ফাতেমা আক্তার শিল্পী, নির্বাহী সদস্য কামরুন্নাহার বিউটি ও উদ্যাপন পরিষদের আহ্বায়ক নন্দিতা দাস। কবিতা আবৃত্তি করেন দোনাগাজী পদকপ্রাপ্ত বাচিকশিল্পী দিপান্বিতা দাস।

চর্যাপদ একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা রফিকুজ্জামান রণি জানান, ২০১৯ সালের এমন একটি দিনে প্রতিষ্ঠিত হয় চর্যাপদ সাহিত্য একাডেমি। একঝাঁক তরুণ নেতৃত্বের হাত ধরে একাডেমির যাত্রা শুরু। মাত্র তিন বছরে প্রায় ৬,৫০০ (সাড়ে ছয় হাজার) বই উপহার দিয়েছি আমরা। ‘আদি এবং অন্তে সত্য ও সুন্দরে আছি’ স্লোগানে এগিয়ে চলা এই প্রতিষ্ঠান দেশের অনেক গুণীব্যক্তির হাতে তুলে পুরস্কার দিয়েছে। প্রত্যেকটি সদস্যের শ্রম, ঘাম, মেধা ও অর্থের বিনিময়ে এগিয়ে চলেছে এই একাডেমি। আমাদের প্রতিটি পদক্ষেপে যারা পাশে ছিলেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ জ্ঞাপন করছি।

Model Hospital

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাইমচর লেখক ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ইমরান শাকির, চর্যাপদ একাডেমির উপপরিচালক জান্নাতুল ফেরদাউ সুপ্ত, প্রচার ও প্রকাশনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, তথ্য পরিচালক জান্নাতুল মাওয়া, নির্বাহী সদস্য শ্রাবণী মীম ও দিপু।

অনুষ্ঠানে বই উপহার কর্মসূচি পালন শেষে শোভাযাত্রা বের করা হয়। মেঘনা পাড়ের সবুজ আলোছায়ায় ভ্রমণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সফল সমাপ্তি ঘটে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

নিজস্ব প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১১ এম
শখ করে বাড়িতে পুষছিলেন বিষধর গোখরা, সেই সাপের ছোবলেই হাসপাতালে চাঁদপুরের কাঠমিস্ত্রি!

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় শখ করে বাড়িতে বিষধর গোখরা সাপ পুষছিলেন স্থানীয় কাঠমিস্ত্রি ইকবাল হোসেন (৪৫)। সেই সাপের কামড়েই এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে তিনি।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) উপজেলার ভূঁইয়াকান্দি গ্রামে ঘটেছে এই ঘটনায়। রাতের সাড়ে ৯টার দিকে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ইকবাল হোসেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হন ইকবাল। পরপর দুই ডোজ (২০ ভায়াল) অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পর এখন তৃতীয় ডোজই রোগীর জীবন রক্ষায় শেষ চেষ্টা। ২৪ ঘণ্টার আগে কোনো কিছুই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না বলে জানায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার সাপটিকে খাবার দিতে বাক্স খুলেছিলেন কাঠমিস্ত্রির ইকবাল। তখন হঠাৎ করেই সাপটি তার হাতে কামড় দিলে অসুস্থ হয়ে পড়া ইকবালকে মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এনে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও লক্ষণ দেখে এটি বিষধর সাপের কামড় চিহ্নিত হলে দ্রুত অ্যান্টিভেনম প্রথম ডোজ (১০ ভায়াল) দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

Model Hospital

ইকবালের স্ত্রী রিনা আক্তার জানান, পাখি পালনসহ বিভিন্ন প্রাণী লালন-পালনের শখ তার স্বামীর। কয়েক মাস আগে বিল থেকে গোখরা সাপটি ধরে বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। বিষধর সাপটি বাড়িতে না পুষতে রিনা বারবার নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধও হয়েছিল। তবে স্ত্রীর নিষেধ উপেক্ষা করে সাপটি পোষা অব্যাহত রাখেন ইকবাল। শেষ পর্যন্ত সেই সাপের কামড়েই গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ইকবাল।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সাবিন ইসতেহার জানান, তার অবস্থার উন্নতি না হলে ২য় ডোজ টিকা দেওয়া হয়। তবে তিনি এখনও শঙ্কামুক্ত নন। রোগীর অবস্থা আরও অবনতি হলে সর্বশেষ চেষ্টা হিসেবে ৩য় ডোজও দেওয়া লাগতে পারে। প্রতি ডোজে ১০ ভায়াল।