বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

একমাস পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি উজ্জ্বল মিয়াজী হত্যা মামলার আসামী

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ১২ জুন, ২০২২, ১:৫৮ পিএম
একমাস পেরিয়ে গেলেও গ্রেপ্তার হয়নি উজ্জ্বল মিয়াজী হত্যা মামলার আসামী

নিজস্ব প্রতিনিধি : পূর্ব শত্রুতার জেরে উজ্জ্বল মিয়াজী খুন হওয়ার একমাস পেরিয়ে গেলেও ধরা পড়েনি হত্যার সাথে জড়িতরা। অভিযোগ উঠেছে, আসামিদের সঙ্গে গোপন আঁতাতের কারণে পুলিশ খুনিদের গ্রেপ্তারে টালবাহানা করছে। অপর দিকে মামলার কোনো আসামী গ্রেপ্তার না হওয়ায় বিচারের আশাই ছেড়ে দিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার।

ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহত উজ্জ্বল মিয়াজীর বড় ভাই মামলার বাদী গোলাম কিবরিয়া মিয়াজী। আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্র করে চাঁদপুর মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নে ষাটনল পর্যটক কেন্দ্রে মোবাইল ব্যবসায়ী উজ্জ্বল মিয়াজীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। গত ৫ মে বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

নৌ ডাকাত বাবলা ওরফে উজ্জ্বল খালাশী, কবির খালাসি’সহ এ চক্রের সহযোগীরা এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে বলে এজাহারে বলা হয়।
নিহতের বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া মিয়াজি বাদি হয়ে মতলব উত্তর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে হত্যাকান্ডের একমাসেরও বেশি সময় পাড় হলেও কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

নিহতের স্বজনরা জানান, এক ঈদ পুর্নমীলনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে নিজ শশুরবাড়ী চাঁদপুরে যান রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কের মোবাইল ব্যবসায়ী উজ্জল মিয়াজী। রাতে তিনি অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করতে গেলে মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল পর্যটন কেন্দ্রে তাকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে নৌ ডাকাত কবির খালাসী, জজ মিয়া খালাসী, নাহিদ খালাসী, তুষার খালাসী ও বাবলা ডাকাত ও ফরিদ গাজী’সহ এ চক্রের আরও ২০ থেকে ২৫ জন সদস্য। পরে উজ্জলের মৃত্যু নিশ্চিত করে তার ক্ষতবিক্ষত দেহ মাটিতে ফেলে রেখে চলে যায় তারা। এ ঘটনায় কবির খালাসিকে প্রধান আসামি করে ২০ জনের বিরুদ্ধে চাঁদপুরের উত্তর মতলব থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নিহতের বড় ভাই গোলাম কিবরিয়া মিয়াজী। তবে এ হত্যাকাণ্ডের ১ মাস পেরিয়ে গেলেও কোনো আসামিকে করা হয়নি। নিহতরে স্বজনদের দাবি, আসামিদের সঙ্গে গোপন আঁতাতের কারণে খুনিদের গ্রেপ্তারে টালবাহানা করছে পুলিশ।

Model Hospital

গত ১ মাসে চাদপুর, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ ও রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে নিহতের হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেও কোনো প্রতিফলন পায়নি নিহত উজ্জল মিয়াজীর পরিবার। এমন অবস্থায় বিচারের আশাই ছেড়ে দিয়েছেন তারা।
উজ্জল মিয়াজী হত্যকাণ্ডের সকল আসামীকে গ্রেপ্তারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে প্রশাসন। নিহতের পরিবার পাবে সুষ্ঠু বিচার এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন জানান, মামলা দায়ের করার পর থেকে আসামি গ্রেপ্তার করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে একাধিক অভিযান করা হয়েছে। আসামীদের গ্রেপ্তার করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান ওই তদন্ত কর্মকর্তা।

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মোজাম্মেল প্রধান হাসিব প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২:৩২ এম
মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে মিজানুর রহমান সরকার ও সুলতান কাজী

মতলব দক্ষিণে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৫ পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান সরকার এবং ৩নং খাদেরগাঁও ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সুলতান কাজী।

গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় দলীয় নেতাকর্মী ও ইউনিয়নের গন্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে পরিদর্শনে যান তারা। এসময় তারা আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সান্ত্বনার পাশাপাশি মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও প্রত্যেক পরিবারের মাঝে চালের বস্তা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক ও ইউপি সদস্য শহীদ মিয়াজী, খাদেরগাঁও ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মিঞা মো. ফারুক, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সোহেল রানা, বিএনপি নেতা তাজুল ইসলাম, ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সাখাওয়াত সুমন, মো. সুমন মোল্লা, যুবদল নেতা রুবেল কাজী, কামাল প্রধান, মিজান কাজী, ছাত্রদল নেতা রাশেদ কাজী, সমাজসেবক আলি আক্কাস মিয়াজীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে সংঘটিত অগ্নিকাণ্ডে ৫টি বসতঘর ও ৫টি রান্নাঘর, স্বর্ণালাংকার, নগদ অর্থ পুড়ে যায়, এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পরিবারগুলোর। বসতঘর পুড়ে যাওয়ার পর খোলা আকাশের নিচেই মানবেতর জীবনযাপন করছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

Model Hospital